মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা ক্রমশ বাড়তে থাকায় অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের আন্তর্জাতিক বাজারদর ব্যারেল প্রতি ১১০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বর্তমানে বাজার দীর্ঘমেয়াদী সরবরাহ-বিঘ্নের ঝুঁকি মূল্যায়ন করছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালি দিয়ে জ্বালানি তেল ও এলএনজি প্রবাহ কমে যাওয়ার আশঙ্কা উদ্বেগ বাড়াচ্ছে।
আজ দুপুরে ব্যারেল প্রতি ব্রেন্ট ফিউচার্স ১১০ ডলার ১২ সেন্টে পৌঁছেছে। অন্যদিকে, মার্কিন মানদণ্ড ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI) জ্বালানি তেলের দাম ৯৪ ডলার ৮৫ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। যদিও দিনের হিসাবে দাম কিছুটা কমলেও, সাম্প্রতিক সংঘাত শুরুর আগের তুলনায় উভয় সূচকই উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি অবস্থানে রয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টি করেছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি করিডর হরমুজ প্রণালী বর্তমানে তীব্র চাপের মুখে রয়েছে। এই জলপথ দিয়ে বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ অপরিশোধিত তেল ও এলএনজি সরবরাহ হয়, যা বর্তমানে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে।
বিনিয়োগকারীরা প্রতিদিনের কূটনৈতিক খবরের চেয়ে দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতের ঝুঁকিকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জ্বালানি সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার সম্ভাবনা বাজারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (IEA) বর্তমান সরবরাহ ধাক্কাকে ১৯৭০-এর দশকের জ্বালানি সংকট এবং রুশ-ইউক্রেনীয় গ্যাস বিভ্রাটের সম্মিলিত প্রভাবের চেয়েও গুরুতর বলে বর্ণনা করেছে। রয়টার্সের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৈশ্বিক সরবরাহ থেকে দৈনিক প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ব্যারেল জ্বালানি তেল কমে গেছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























