মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যকার চলমান সংঘাত ২৭তম দিনে গড়িয়েছে। এই দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পাশাপাশি বিশ্ব অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর যুদ্ধবিরতি কার্যকরে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার সম্প্রতি জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনার মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। ইসলামাবাদ এই প্রক্রিয়ায় মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে ১৫ দফার একটি শান্তি প্রস্তাব তেহরানের কাছে পাঠানো হয়েছে। তুরস্ক ও মিসরও এই শান্তি প্রক্রিয়ায় পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করছে বলে তিনি নিশ্চিত করেছেন।
তবে যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া ১৫ দফার শান্তি প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। তেহরানের পক্ষ থেকে পাল্টা পাঁচটি সুনির্দিষ্ট শর্ত দেওয়া হয়েছে। শর্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—আগ্রাসন ও সব ধরনের হত্যাকাণ্ড স্থায়ীভাবে বন্ধ করা, যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পূরণ, প্রতিরোধ সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান বন্ধ এবং হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দেওয়া।
চলমান এই উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি) শীর্ষস্থানীয় এক জেনারেলকে হত্যার দাবি করেছে ইসরাইল। ইসরাইলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরাইল কাটজ এক বিবৃতিতে জানান, বুধবার রাতে এক অভিযানে আইআরজিসি নৌশাখার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলিরেজা তাঙ্গসিরি নিহত হয়েছেন। নিহত এই জেনারেল হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক কার্যক্রম তদারকির দায়িত্বে ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 
























