মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে দীর্ঘকাল ধরে তেল ও গ্যাস প্রধান প্রভাবক হিসেবে থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘পানি নিরাপত্তা’ সবচেয়ে বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সামরিক উত্তেজনার প্রভাবে এই অঞ্চলের পানি পরিশোধন কেন্দ্রগুলো হামলার লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে। সম্প্রতি বাহরাইনের একটি লোনা পানি পরিশোধন কেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনার পর এই শঙ্কা আরও ঘনীভূত হয়েছে। উপসাগরীয় দেশগুলোর জন্য পানি এখন কেবল জীবনধারণের উপাদান নয়, বরং জাতীয় নিরাপত্তার অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে।
মরুপ্রধান এই দেশগুলো তাদের দৈনন্দিন পানির চাহিদার সিংহভাগ মেটায় সমুদ্রের পানি পরিশোধন বা ডিস্যালিনেশন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। মুডিসের এক সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে যে, এই পানি পরিশোধন ব্যবস্থার ওপর অতি-নির্ভরশীলতা এখন একটি গুরুতর নিরাপত্তা ঝুঁকিতে পরিণত হয়েছে। পানির সরবরাহ কোনোভাবে বিঘ্নিত হলে তা কেবল জনজীবন নয়, বরং পুরো অঞ্চলের অর্থনীতি ও স্থিতিশীলতাকে বড় ধরনের বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দিতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























