ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

নেপালে গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলির বিচারের সুপারিশ তদন্ত কমিশনের

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৬ বার পড়া হয়েছে

নেপালে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সংঘটিত জেন-জি নেতৃত্বাধীন রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। সরকার গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর সুপারিশ পেশ করেছে। বৃহস্পতিবার নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে এই প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরবর্তীতে দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বিশাল গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। আন্দোলনের প্রথম দিনেই নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৯ জন তরুণ নিহত হন এবং পুরো আন্দোলনে অন্তত ৭৭ জন প্রাণ হারান। তীব্র বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তদন্ত কমিশনের এই প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে জনসমক্ষে এল, যখন নেপালের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করছেন। যদিও এখন পর্যন্ত ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি, তবে কমিশনের এই সুপারিশের ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইনি জটিলতার মুখে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

নেপালে গণঅভ্যুত্থানে প্রাণহানি: সাবেক প্রধানমন্ত্রী অলির বিচারের সুপারিশ তদন্ত কমিশনের

আপডেট সময় : ১১:৪৬:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

নেপালে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে সংঘটিত জেন-জি নেতৃত্বাধীন রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানে ব্যাপক প্রাণহানির ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলিসহ শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনার সুপারিশ করা হয়েছে। সরকার গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিশন তাদের প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর সুপারিশ পেশ করেছে। বৃহস্পতিবার নেপালের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোতে এই প্রতিবেদনের তথ্য প্রকাশ করা হয়।

উল্লেখ্য, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধ করার সরকারি সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে শুরু হওয়া এই আন্দোলন পরবর্তীতে দেশের অর্থনৈতিক দুর্দশা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে এক বিশাল গণবিক্ষোভে রূপ নেয়। আন্দোলনের প্রথম দিনেই নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে ১৯ জন তরুণ নিহত হন এবং পুরো আন্দোলনে অন্তত ৭৭ জন প্রাণ হারান। তীব্র বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন।

তদন্ত কমিশনের এই প্রতিবেদনটি এমন এক সময়ে জনসমক্ষে এল, যখন নেপালের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ গ্রহণ করছেন। যদিও এখন পর্যন্ত ওই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় কাউকে আনুষ্ঠানিকভাবে দোষী সাব্যস্ত করা হয়নি, তবে কমিশনের এই সুপারিশের ফলে সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের আইনি জটিলতার মুখে পড়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।