ঢাকা ০৮:২৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

দাস ব্যবসাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিল জাতিসংঘ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের ধরে আটলান্টিকের দুই পাড়ে দাস হিসেবে পাচার ও বাণিজ্যের ঐতিহাসিক ঘটনাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। বুধবার সংস্থাটির সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য দেশের সমর্থনে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

আফ্রিকার দেশ ঘানা এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। প্রস্তাবে দাসত্বের শিকার দেশগুলোর প্রতি অনুতাপ প্রকাশ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি বিশেষ ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে ১২৩টি দেশ, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আর্জেন্টিনা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রসহ ৫২টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ঔপনিবেশিক আমলের শোষণের বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি নতুন করে জোরালো হলো।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর ছয় থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে ৬০ জন গ্রেপ্তার

দাস ব্যবসাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিল জাতিসংঘ

আপডেট সময় : ১১:৪৫:০১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

আফ্রিকার কৃষ্ণাঙ্গ মানুষদের ধরে আটলান্টিকের দুই পাড়ে দাস হিসেবে পাচার ও বাণিজ্যের ঐতিহাসিক ঘটনাকে ‘মানবতার বিরুদ্ধে গুরুতর অপরাধ’ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘ। বুধবার সংস্থাটির সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্য দেশের সমর্থনে এই সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।

আফ্রিকার দেশ ঘানা এই ঐতিহাসিক প্রস্তাবটি উত্থাপন করে। প্রস্তাবে দাসত্বের শিকার দেশগুলোর প্রতি অনুতাপ প্রকাশ এবং ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য একটি বিশেষ ক্ষতিপূরণ তহবিল গঠনের আহ্বান জানানো হয়েছে। এই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে ১২৩টি দেশ, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও আর্জেন্টিনা এই প্রস্তাবের বিপক্ষে ভোট প্রদান করেছে। অন্যদিকে যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য রাষ্ট্রসহ ৫২টি দেশ ভোটদান থেকে বিরত ছিল। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে ঔপনিবেশিক আমলের শোষণের বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবি নতুন করে জোরালো হলো।