নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্যের নাম প্রধান অতিথি হিসেবে ঘোষণা না করাকে কেন্দ্র করে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। হট্টগোলের এক পর্যায়ে নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা আব্দুস সাত্তার অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন। এই ঘটনাটি বৃহস্পতিবার সকালে জেলার ডোমার হাইস্কুল মাঠে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে ঘটে।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে থাকা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ বিন আমিন সুমন সংসদ সদস্য ও জামায়াতের জেলা আমীর অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তারের নাম ঘোষণা করেননি। এই ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয় এবং এক পর্যায়ে সংসদ সদস্য অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যান। এসময় বিএনপির কিছু নেতাকর্মী জামায়াত নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে ‘রাজাকার’ ও ‘স্বাধীনতাবিরোধী’ বলে স্লোগান দিতে থাকে।
তবে, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাসুদ বিন আমিন সুমন এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি সাংবাদিকদের জানান, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া স্ক্রিপ্টে প্রধান অতিথির নাম উল্লেখ ছিল না। তা সত্ত্বেও, এমপি মহোদয়কে যথাযথ সম্মান দিয়ে আসন গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছিল এবং তিনি আসনও গ্রহণ করেছিলেন। কিছু দুষ্কৃতিকারী অনুষ্ঠানকে বিশৃঙ্খল করার জন্য উত্তেজিত হয়ে অশালীন ভাষায় গালাগালি করে বলে তিনি জানান।
নীলফামারী-১ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আব্দুস সাত্তার সাংবাদিকদের বলেন, অনুষ্ঠানটি সুন্দরভাবে চলছিল। তবে, এ ধরনের অনুষ্ঠানে দলীয় কাউকে দিয়ে সঞ্চালনা না করে সরকারি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে সঞ্চালনা করা উচিত। তিনি ভবিষ্যতে এ ব্যাপারে উপজেলা প্রশাসনকে আরও সতর্ক থাকার এবং বিষয়গুলো আরও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানান।
ডোমার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার নিয়াজ মেহেদী জানান, স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে কিছুটা বিশৃঙ্খলা হয়েছিল। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
রিপোর্টারের নাম 

























