ঢাকা ০৫:৩৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

দৌলতদিয়া ঘাটে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা: চালক আরমানের বাড়িতে শোকের মাতম

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় নিহত সৌহার্দ্য পরিবহনের চালক আরমান খান (৩২)-এর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে এবং পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বামীকে হারিয়ে শোকে কাতর আরমানের স্ত্রী বিলাপ করছেন।

গত বুধবার বিকেলে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় ব্রেক ফেল করে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় চালক আরমান খান নিহত হন। তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খালকুলা গ্রামের আরব খানের ছেলে। ঘটনার পর রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরমানের স্ত্রী লাবনী খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ঈদের দুদিন আগে আরমান বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। ঈদের সাত দিন পর তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই আমার সব শেষ হয়ে গেল।’ আরমানের বড় মেয়ে আমেনা খাতুন শহীদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ছোট মেয়ে তায়েবা খাতুনের বয়স পাঁচ বছর এবং তার স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান আরমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং সরকারিভাবে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় পানি সরবরাহকারী চালকদের হত্যা: ক্ষোভে ফেটে পড়ল ইউনিসেফ

দৌলতদিয়া ঘাটে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনা: চালক আরমানের বাড়িতে শোকের মাতম

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় নিহত সৌহার্দ্য পরিবহনের চালক আরমান খান (৩২)-এর বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। নিহতের লাশ বাড়িতে আনা হলে স্বজনদের আহাজারিতে পরিবেশ ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে এবং পুরো এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। স্বামীকে হারিয়ে শোকে কাতর আরমানের স্ত্রী বিলাপ করছেন।

গত বুধবার বিকেলে দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাটে সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস ফেরিতে ওঠার সময় ব্রেক ফেল করে নদীতে পড়ে যায়। এ ঘটনায় চালক আরমান খান নিহত হন। তিনি রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের পশ্চিম খালকুলা গ্রামের আরব খানের ছেলে। ঘটনার পর রাতে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

আরমানের স্ত্রী লাবনী খাতুন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘ঈদের দুদিন আগে আরমান বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন। ঈদের সাত দিন পর তার বাড়ি ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই আমার সব শেষ হয়ে গেল।’ আরমানের বড় মেয়ে আমেনা খাতুন শহীদনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে। ছোট মেয়ে তায়েবা খাতুনের বয়স পাঁচ বছর এবং তার স্ত্রী দুই মাসের অন্তঃসত্ত্বা। বালিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান আরমানের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন এবং সরকারিভাবে তার পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন।