ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

এলপিজি আমদানিতে এলসি জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় ছাড়

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলপিজি আমদানিতে বিদ্যমান এলসি জটিলতা কাটাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিকারকদের জন্য ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত কিছু আইনি সীমাবদ্ধতা শিথিল করা হয়েছে।

নতুন এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জ্বালানি খাতের আমদানির জন্য এলসি মার্জিনসহ একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬খ(১) ধারার শর্তসমূহ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হবে না। এর ফলে আমদানিকারকরা বড় অংকের ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন।

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১২১ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। যদিও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ২৫ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমা এই সময়ের জন্য শিথিল করা হয়েছে, তবে নতুন কোনো সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চীনকে ইরানের তেল নিতে দেবে না যুক্তরাষ্ট্র, হরমুজ প্রণালিতে কড়াকড়ির হুঁশিয়ারি

এলপিজি আমদানিতে এলসি জটিলতা নিরসনে বাংলাদেশ ব্যাংকের বড় ছাড়

আপডেট সময় : ১১:০৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলপিজি আমদানিতে বিদ্যমান এলসি জটিলতা কাটাতে নতুন নির্দেশনা জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমদানিকারকদের জন্য ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে প্রচলিত কিছু আইনি সীমাবদ্ধতা শিথিল করা হয়েছে।

নতুন এই প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, জ্বালানি খাতের আমদানির জন্য এলসি মার্জিনসহ একক ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপকে ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংক কোম্পানি আইনের ২৬খ(১) ধারার শর্তসমূহ আগামী ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্যকর হবে না। এর ফলে আমদানিকারকরা বড় অংকের ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন।

ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১২১ ধারার ক্ষমতাবলে জারি করা এই নির্দেশনা দেশের সকল তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। যদিও আইন অনুযায়ী নির্ধারিত ২৫ শতাংশের ঊর্ধ্বসীমা এই সময়ের জন্য শিথিল করা হয়েছে, তবে নতুন কোনো সীমা নির্ধারণের ক্ষমতা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হাতে রাখা হয়েছে।