ঢাকা ১২:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

মির্জাপুরে প্রসূতির পেটে সেলাই দিয়ে অপারেশন অসম্পূর্ণ রাখল ক্লিনিক, ২২ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরল মায়ের

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রসূতির অস্ত্রোপচার মাঝপথে বন্ধ করে তড়িঘড়ি পেটে সেলাই দিয়ে রেফার করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির প্রায় ২২ ঘণ্টা পর ওই প্রসূতির জ্ঞান ফিরেছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে মা ও নবজাতক কন্যা সন্তান উভয়ই আশঙ্কামুক্ত আছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রসব বেদনা শুরু হলে রত্মা বেগম নামের ওই নারীকে মির্জাপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক সিজারিয়ান অপারেশন শুরু করলেও নবজাতককে বের করতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তড়িঘড়ি করে পেটে সেলাই দিয়ে তাকে অন্য হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। পরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানে পুনরায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম হয়।

এই ঘটনায় প্রসূতির বাবা ক্লিনিক মালিকসহ চারজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত চিকিৎসক জানিয়েছেন, রোগীর শারীরিক জটিলতা ও ফুল সামনের দিকে থাকায় ঝুঁকি এড়াতে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফটিকছড়ি উত্তর উপজেলা: সদর দপ্তর নির্ধারণে নথিপত্রে অসংগতি ও গণশুনানির সুপারিশ উপেক্ষার অভিযোগ

মির্জাপুরে প্রসূতির পেটে সেলাই দিয়ে অপারেশন অসম্পূর্ণ রাখল ক্লিনিক, ২২ ঘণ্টা পর জ্ঞান ফিরল মায়ের

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে একটি বেসরকারি ক্লিনিকে প্রসূতির অস্ত্রোপচার মাঝপথে বন্ধ করে তড়িঘড়ি পেটে সেলাই দিয়ে রেফার করার ঘটনায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তির প্রায় ২২ ঘণ্টা পর ওই প্রসূতির জ্ঞান ফিরেছে বলে জানা গেছে। বর্তমানে মা ও নবজাতক কন্যা সন্তান উভয়ই আশঙ্কামুক্ত আছেন।

ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রসব বেদনা শুরু হলে রত্মা বেগম নামের ওই নারীকে মির্জাপুরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসক সিজারিয়ান অপারেশন শুরু করলেও নবজাতককে বের করতে ব্যর্থ হন। একপর্যায়ে রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে তড়িঘড়ি করে পেটে সেলাই দিয়ে তাকে অন্য হাসপাতালে পাঠানোর পরামর্শ দেয় ক্লিনিক কর্তৃপক্ষ। পরে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে সেখানে পুনরায় অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে সন্তানের জন্ম হয়।

এই ঘটনায় প্রসূতির বাবা ক্লিনিক মালিকসহ চারজনের বিরুদ্ধে স্থানীয় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযুক্ত চিকিৎসক জানিয়েছেন, রোগীর শারীরিক জটিলতা ও ফুল সামনের দিকে থাকায় ঝুঁকি এড়াতে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।