ঢাকা ১২:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

সমুদ্রে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি: এক বছরে ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সলিল সমাধি

বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরে পাড়ি দিতে গিয়ে গত এক বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যুর এই সংখ্যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মুখপাত্র বাবর বালুচ এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন।

ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, গত এক বছরে অন্তত সাড়ে ছয় হাজার রোহিঙ্গা উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর মধ্যে প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন নিখোঁজ হয়েছেন অথবা মারা গেছেন। গত এক দশকে এই অঞ্চলে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে, যা বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরকে একটি বিশাল অচিহ্নিত কবরস্থানে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও বাংলাদেশে আশ্রয় শিবিরের কঠিন পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে উন্নত জীবনের আশায় রোহিঙ্গারা সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার দিকে পা বাড়াচ্ছেন। তবে মানবিক সহায়তার অভাব এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় এই ঝুঁকি আরও বাড়ছে। মিয়ানমারে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা না গেলে এই সংকট সমাধান সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাবলিক পরীক্ষায় দীর্ঘদিনের ‘নীরব বহিষ্কার’ প্রথা বাতিল

সমুদ্রে বাড়ছে মৃত্যুঝুঁকি: এক বছরে ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থীর সলিল সমাধি

আপডেট সময় : ১১:০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরে পাড়ি দিতে গিয়ে গত এক বছরে প্রাণ হারিয়েছেন প্রায় ৯০০ রোহিঙ্গা শরণার্থী। জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, ২০২৫ সালে সমুদ্রে ডুবে মৃত্যুর এই সংখ্যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড। শুক্রবার জেনেভায় এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির মুখপাত্র বাবর বালুচ এই উদ্বেগজনক তথ্য তুলে ধরেন।

ইউএনএইচসিআর-এর তথ্যমতে, গত এক বছরে অন্তত সাড়ে ছয় হাজার রোহিঙ্গা উত্তাল সমুদ্র পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করেছেন। এর মধ্যে প্রতি সাতজনের মধ্যে একজন নিখোঁজ হয়েছেন অথবা মারা গেছেন। গত এক দশকে এই অঞ্চলে প্রায় পাঁচ হাজার রোহিঙ্গার মৃত্যু হয়েছে, যা বঙ্গোপসাগর ও আন্দামান সাগরকে একটি বিশাল অচিহ্নিত কবরস্থানে পরিণত করেছে বলে মন্তব্য করেছে সংস্থাটি।

রাখাইন রাজ্যে সহিংসতা ও বাংলাদেশে আশ্রয় শিবিরের কঠিন পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে উন্নত জীবনের আশায় রোহিঙ্গারা সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া বা ইন্দোনেশিয়ার দিকে পা বাড়াচ্ছেন। তবে মানবিক সহায়তার অভাব এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ না থাকায় এই ঝুঁকি আরও বাড়ছে। মিয়ানমারে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব নিশ্চিত করা না গেলে এই সংকট সমাধান সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।