ঢাকা ০২:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দ্বীন ইসলাম (৩০) নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত দ্বীন ইসলাম ওই গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন। এই পেজের মাধ্যমে তিনি এলাকার মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে ২০-৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দ্বীন ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লার বাঙ্গরা থানা এলাকার একটি নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভিডিও প্রচার করায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের বিরুদ্ধে মাদক ও চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীতে যানবাহন চুরির হিড়িক: প্রতিদিন গড়ে চুরি হচ্ছে একটি গাড়ি বা মোটরসাইকেল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

আপডেট সময় : ১০:৪৮:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দ্বীন ইসলাম (৩০) নামে এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার মেহারী ইউনিয়নের শিমরাইল গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত দ্বীন ইসলাম ওই গ্রামের সফিকুল ইসলামের ছেলে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ‘তালাশ ক্রাইম দৃষ্টি’ নামে একটি পেজ পরিচালনা করতেন। এই পেজের মাধ্যমে তিনি এলাকার মাদক ব্যবসা ও বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড তুলে ধরতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুরে ২০-৩০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল দ্বীন ইসলামকে তার নিজ বাড়ি থেকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে তাকে বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় কুমিল্লার বাঙ্গরা থানা এলাকার একটি নির্জন স্থানে ফেলে রাখা হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে কসবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

নিহতের পরিবারের দাবি, অপরাধীদের বিরুদ্ধে ভিডিও প্রচার করায় স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। তবে অভিযুক্তরা এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, নিহতের বিরুদ্ধে মাদক ও চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। ময়নাতদন্তের পর ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।