ঢাকা ০৮:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট গঠনে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের উদ্যোগ

আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি নতুন জোট গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর ও পাকিস্তান। গত বৃহস্পতিবার রিয়াদে ইসলামিক দেশগুলোর এক সম্মেলনের ফাঁকে এই চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসেন।

কূটনৈতিক সূত্র থেকে জানা গেছে, গত বছর থেকেই তুরস্ক এমন একটি নিরাপত্তা জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল, যেখানে প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান ও সৌদি আরবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। পরবর্তীতে এই প্রক্রিয়ায় মিশরকেও যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন, কীভাবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট গঠনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের শক্তিকে একত্রিত করে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারি, তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এটি একটি নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে দেশগুলোর প্রতিরক্ষা খাত ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। তবে এটি ন্যাটোর মতো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হবে না।

বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান এবং এর জবাবে তেহরানের পাল্টা হামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পায়। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যৌথভাবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়েও দেশগুলো মতবিনিময় করে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ, অস্থিরতা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতা নতুন কৌশলগত সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্পেনকে বহিষ্কারের সুযোগ নেই: ন্যাটো

আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট গঠনে পাকিস্তান, সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরের উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০২:৪৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোরদার করার লক্ষ্যে একটি নতুন জোট গঠনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেছে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিশর ও পাকিস্তান। গত বৃহস্পতিবার রিয়াদে ইসলামিক দেশগুলোর এক সম্মেলনের ফাঁকে এই চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বৈঠকে বসেন।

কূটনৈতিক সূত্র থেকে জানা গেছে, গত বছর থেকেই তুরস্ক এমন একটি নিরাপত্তা জোট গঠনের উদ্যোগ নিয়েছিল, যেখানে প্রাথমিকভাবে পাকিস্তান ও সৌদি আরবকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা ছিল। পরবর্তীতে এই প্রক্রিয়ায় মিশরকেও যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বৈঠক প্রসঙ্গে বলেন, কীভাবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট গঠনের মাধ্যমে আমরা নিজেদের শক্তিকে একত্রিত করে সমস্যাগুলোর সমাধান করতে পারি, তা নিয়ে বিশদ আলোচনা হয়েছে। তিনি আরও জানান, এটি একটি নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে দেশগুলোর প্রতিরক্ষা খাত ও সামরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে। তবে এটি ন্যাটোর মতো কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হবে না।

বৈঠকে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধ, যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান এবং এর জবাবে তেহরানের পাল্টা হামলার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো আলোচনায় স্থান পায়। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যৌথভাবে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়েও দেশগুলো মতবিনিময় করে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ, অস্থিরতা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এ ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতা নতুন কৌশলগত সমীকরণ তৈরি করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।