ঢাকা ০৮:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০ দিনের তেল ছাড়ছে জাপান

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাপান তাদের জাতীয় তেলের মজুতের একটি অংশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১ মে থেকে এই তেল বাজারে ছাড়া হবে বলে দেশটির অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে বিকল্প রুট থেকে তেল সংগ্রহের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় মজুতের প্রায় ২০ দিনের চাহিদার সমপরিমাণ তেল, অর্থাৎ আনুমানিক ৫.৮ মিলিয়ন কিলোলিটার তেল বাজারে ছাড়া হবে। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৪০ বিলিয়ন ইয়েন, যা প্রায় ৩.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য।

জাপান আশা করছে, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের মাধ্যমে তারা বছরের শেষ পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে পারবে। পেট্রোলিয়াম স্টকপাইলিং আইনের ধারা ৩১ অনুযায়ী এই তেল ছাড়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যাতে স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখা যায়। বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে জাপান মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির উপর নির্ভরশীল হওয়ায় হরমুজ প্রণালি অঞ্চলের যেকোনো অস্থিরতা তাদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ওয়ানডে জয়ের আত্মবিশ্বাস নিয়ে টি-টোয়েন্টি মিশনে বাংলাদেশ: আজ অস্ট্রেলিয়ার মুখোমুখি টাইগাররা

জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ২০ দিনের তেল ছাড়ছে জাপান

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে হরমুজ প্রণালী দিয়ে অপরিশোধিত তেল সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ায় জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় জাপান তাদের জাতীয় তেলের মজুতের একটি অংশ ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগামী ১ মে থেকে এই তেল বাজারে ছাড়া হবে বলে দেশটির অর্থনীতি, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বর্তমান পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী এড়িয়ে বিকল্প রুট থেকে তেল সংগ্রহের সর্বোচ্চ চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় মজুতের প্রায় ২০ দিনের চাহিদার সমপরিমাণ তেল, অর্থাৎ আনুমানিক ৫.৮ মিলিয়ন কিলোলিটার তেল বাজারে ছাড়া হবে। এর আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫৪০ বিলিয়ন ইয়েন, যা প্রায় ৩.৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমতুল্য।

জাপান আশা করছে, বিকল্প উৎস থেকে তেল সংগ্রহের মাধ্যমে তারা বছরের শেষ পর্যন্ত জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে পারবে। পেট্রোলিয়াম স্টকপাইলিং আইনের ধারা ৩১ অনুযায়ী এই তেল ছাড়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যাতে স্থিতিশীল সরবরাহ বজায় রাখা যায়। বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল আমদানিকারক দেশ হিসেবে জাপান মধ্যপ্রাচ্যের জ্বালানির উপর নির্ভরশীল হওয়ায় হরমুজ প্রণালি অঞ্চলের যেকোনো অস্থিরতা তাদের জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য একটি বড় ঝুঁকি তৈরি করে।