আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল এক ভয়াবহ সতর্কবার্তা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ এমন এক জ্বালানি সংকট সৃষ্টি করতে পারে যা ১৯৭০-এর দশকের তেল সংকটের চেয়েও ভয়াবহ হবে এবং ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসনের সময়ের প্রভাবকেও ছাড়িয়ে যেতে পারে। অস্ট্রেলিয়ায় এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান।
ফাতিহ বিরোল স্মরণ করিয়ে দেন যে, ১৯৭০-এর দশকে দুটি বড় তেল সংকটের সময় বিশ্ব প্রতিদিন প্রায় ৫০ লাখ ব্যারেল তেল হারাত, যা মোট ১ কোটি ব্যারেলের সমান। কিন্তু বর্তমানে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে প্রতিদিন প্রায় ১১ মিলিয়ন ব্যারেল তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে, যা অতীতের দুটি বড় সংকটের সম্মিলিত ক্ষতির চেয়েও বেশি। তিনি আরও বলেন, হরমুজ প্রণালী দিয়ে প্রবাহিত তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) চালান ইরানের সম্ভাব্য অবরোধের কারণে বাধাগ্রস্ত হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে কোনো দেশই জ্বালানি সংকটের প্রভাব থেকে মুক্ত থাকবে না।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিকল্পনার বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে তার উদ্দেশ্যগুলো ব্যাখ্যা করেছেন। তিনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সম্পূর্ণভাবে নিষ্ক্রিয় করতে এবং দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের ভিত্তি ধ্বংস করার কাছাকাছি চলে এসেছে। ট্রাম্প আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বিমান বিধ্বংসী অস্ত্রশস্ত্র নির্মূল করতে চায়। ইরানকে কখনোই পারমাণবিক সক্ষমতার কাছাকাছি আসতে দেওয়া হবে না এবং যুক্তরাষ্ট্র তার মধ্যপ্রাচ্যের মিত্রদের সর্বোচ্চ স্তরে রক্ষা করবে বলেও তিনি প্রতিশ্রুতি দেন। পিট হেগসেথ নিশ্চিত করেছেন যে, ২৮ ফেব্রুয়ারির পর থেকে ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের মূল লক্ষ্য অপরিবর্তিত রয়েছে: ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপক, প্রতিরক্ষা শিল্পভিত্তি ও নৌবাহিনী ধ্বংস করা এবং ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখা।
রিপোর্টারের নাম 























