ঢাকা ০৯:০৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

গোলরক্ষক ছিলাম আমি, জাইমার ফুটবল-প্রেম নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল-প্রেম এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনার সূত্রপাত হওয়ায় সোমবার রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান যখন লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে পড়তেন, তখন তিনি নিয়মিত ফুটবল খেলতেন। সেই সময়েই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে খেলার একটি সুযোগ তার সামনে এসেছিল। দেশের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের এই গোলকিপিংয়ের বিষয়টি তিনি স্বয়ং তারেক রহমানের মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

তবে পেশাদার ফুটবলে তিনি কেন জড়ালেন না, সে বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘সুযোগ এলেও তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান চেয়েছিলেন মেয়ে যেন খেলাধুলার চেয়ে পড়াশোনাতেই বেশি মনোযোগী হয়। পরিবারের ইচ্ছাতেই জাইমা শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকে বেছে নেন।’

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে সাবেক এই ফুটবল তারকা জানান, একবার মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে জাইমা রহমানের সঙ্গে তার গোলকিপিং নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়েছিল। জাইমা তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম। লম্বা হওয়ায় গোলপোস্ট সামলানোতে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।’

প্রতিমন্ত্রী ইউরোপের শিক্ষাব্যবস্থার উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো খেলাধুলা। জাইমা রহমানেরও ফুটবলের প্রতি দারুণ আগ্রহ ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি পড়াশোনাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যটি অতিরঞ্জিত বা ভুলভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় তিনি এই অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি মনে করেছেন। এর আগে একটি অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দেওয়া বক্তব্যের একটি অংশ ছড়িয়ে পরার পর জাইমা রহমানের ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে নেট দুনিয়ায় নানা আলোচনা শুরু হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

এসো হে বৈশাখ: নতুন সূর্যের আলোয় বর্ণিল বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩

গোলরক্ষক ছিলাম আমি, জাইমার ফুটবল-প্রেম নিয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় : ১০:২৮:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানের ফুটবল-প্রেম এবং চেলসির বয়সভিত্তিক দলে সুযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে আলোচনার সূত্রপাত হওয়ায় সোমবার রাতে তিনি নিজের ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে একটি ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক জানান, জাইমা রহমান যখন লন্ডনে স্কুল পর্যায়ে পড়তেন, তখন তিনি নিয়মিত ফুটবল খেলতেন। সেই সময়েই চেলসির বয়সভিত্তিক দলে গোলরক্ষক হিসেবে খেলার একটি সুযোগ তার সামনে এসেছিল। দেশের অন্যতম সেরা এই গোলরক্ষক বলেন, জাইমা রহমানের এই গোলকিপিংয়ের বিষয়টি তিনি স্বয়ং তারেক রহমানের মুখ থেকেই শুনেছিলেন।

তবে পেশাদার ফুটবলে তিনি কেন জড়ালেন না, সে বিষয়ে আমিনুল হক বলেন, ‘সুযোগ এলেও তারেক রহমান ও ডা. জুবাইদা রহমান চেয়েছিলেন মেয়ে যেন খেলাধুলার চেয়ে পড়াশোনাতেই বেশি মনোযোগী হয়। পরিবারের ইচ্ছাতেই জাইমা শেষ পর্যন্ত শিক্ষাজীবনকে বেছে নেন।’

নিজের বক্তব্যের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে সাবেক এই ফুটবল তারকা জানান, একবার মিরপুরে ক্রিকেট খেলা দেখতে গিয়ে জাইমা রহমানের সঙ্গে তার গোলকিপিং নিয়ে স্মৃতিচারণমূলক কথা হয়েছিল। জাইমা তাকে বলেছিলেন, ‘আঙ্কেল, আমি কিন্তু স্কুলে আপনার মতো গোলরক্ষক ছিলাম। লম্বা হওয়ায় গোলপোস্ট সামলানোতে তার বিশেষ দক্ষতা ছিল।’

প্রতিমন্ত্রী ইউরোপের শিক্ষাব্যবস্থার উদাহরণ টেনে বলেন, সেখানে প্রতিটি শিশুর বেড়ে ওঠার অবিচ্ছেদ্য অংশ হলো খেলাধুলা। জাইমা রহমানেরও ফুটবলের প্রতি দারুণ আগ্রহ ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি পড়াশোনাকেই অগ্রাধিকার দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তথ্যটি অতিরঞ্জিত বা ভুলভাবে উপস্থাপিত হওয়ায় তিনি এই অবস্থান পরিষ্কার করা জরুরি মনে করেছেন। এর আগে একটি অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হকের দেওয়া বক্তব্যের একটি অংশ ছড়িয়ে পরার পর জাইমা রহমানের ফুটবল ক্যারিয়ার নিয়ে নেট দুনিয়ায় নানা আলোচনা শুরু হয়।