ঢাকা ০৫:০১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

হাঙ্গেরি নির্বাচনে অরবানের বড় পরাজয়, ১৬ বছর পর ক্ষমতায় মধ্য-ডানপন্থি টিসা

ইউরোপের রাজনীতিতে বড় ধরনের পটপরিবর্তন ঘটেছে। হাঙ্গেরির সাধারণ নির্বাচনে টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকা কট্টর জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান পরাজিত হয়েছেন। উদীয়মান মধ্য-ডানপন্থি রাজনৈতিক দল ‘টিসা’ এই নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অরবানের এই পরাজয় রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্রদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। ৯৯ আসনের হাঙ্গেরীয় পার্লামেন্টে পিটার মাজোরের নেতৃত্বাধীন টিসা দল ১৩৮টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় ও মার্কিন রক্ষণশীল মহলে প্রভাবশালী থাকা ৬২ বছর বয়সি অরবানের জনপ্রিয়তায় মূলত ধস নামে অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং দুর্নীতির অভিযোগের কারণে। জয়ের পর পিটার মাজোর বলেন, এই ফলাফল হাঙ্গেরিকে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও নতুন রাজনৈতিক পথে পরিচালিত করবে।

অন্যদিকে, পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে অরবান একে ‘বেদনাদায়ক’ বলে অভিহিত করেছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাঙ্গেরির এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে ইউক্রেনকে সহায়তা প্রদানের বিষয়টি আরও সহজ হতে পারে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এই নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ইরানকে দমানোর সক্ষমতা নিয়ে ভুল ধারণা পোষণ করছে যুক্তরাষ্ট্র’

হাঙ্গেরি নির্বাচনে অরবানের বড় পরাজয়, ১৬ বছর পর ক্ষমতায় মধ্য-ডানপন্থি টিসা

আপডেট সময় : ০৩:৩৬:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

ইউরোপের রাজনীতিতে বড় ধরনের পটপরিবর্তন ঘটেছে। হাঙ্গেরির সাধারণ নির্বাচনে টানা ১৬ বছর ক্ষমতায় থাকা কট্টর জাতীয়তাবাদী নেতা ভিক্টর অরবান পরাজিত হয়েছেন। উদীয়মান মধ্য-ডানপন্থি রাজনৈতিক দল ‘টিসা’ এই নির্বাচনে বিশাল জয় পেয়েছে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অরবানের এই পরাজয় রাশিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মিত্রদের জন্য একটি বড় ধাক্কা। ৯৯ আসনের হাঙ্গেরীয় পার্লামেন্টে পিটার মাজোরের নেতৃত্বাধীন টিসা দল ১৩৮টি আসনে জয়লাভ করে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করেছে।

দীর্ঘদিন ধরে ইউরোপীয় ও মার্কিন রক্ষণশীল মহলে প্রভাবশালী থাকা ৬২ বছর বয়সি অরবানের জনপ্রিয়তায় মূলত ধস নামে অর্থনৈতিক স্থবিরতা এবং দুর্নীতির অভিযোগের কারণে। জয়ের পর পিটার মাজোর বলেন, এই ফলাফল হাঙ্গেরিকে একটি দুর্নীতিমুক্ত ও নতুন রাজনৈতিক পথে পরিচালিত করবে।

অন্যদিকে, পরাজয় স্বীকার করে নিয়ে অরবান একে ‘বেদনাদায়ক’ বলে অভিহিত করেছেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, হাঙ্গেরির এই রাজনৈতিক পরিবর্তন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলবে, বিশেষ করে ইউক্রেনকে সহায়তা প্রদানের বিষয়টি আরও সহজ হতে পারে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ফন ডার লিয়েন এই নতুন নেতৃত্বকে স্বাগত জানিয়েছেন।