ঢাকা ০৮:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-২ সমতা, শিরোপার ফয়সালা শেষ ম্যাচে

ওয়েলিংটনের স্কাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১৯ রানে হেরেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। এই পরাজয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-২ সমতা ফিরে এসেছে। সিরিজের শিরোপা নির্ধারণ হবে আগামী ২৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক জিমি নিশাম ম্যাচ শেষে জানান, ১৬৪ রান খুব খারাপ স্কোর না হলেও, ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনা এই ম্যাচে ব্যাট হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার নায়ক ছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান কনর ইস্টারহুইজেন। ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নেমে তিনি ৩৬ বলে ৫৭ রানের এক দারুণ ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৩টি ছক্কা ও ৭টি বাউন্ডারি। তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্স তাকে ম্যাচ সেরার পুরস্কার এনে দেয়।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ভালো ছিল না। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় বলেই ওপেনার মুলডারকে হারায় তারা। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইস্টারহুইজেন এবং ওপেনার টনি ডি জর্জি (২৩ রান) সেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। মিডলঅর্ডারে রবিন হারম্যানের ২৫ বলে ২৮ রানের ইনিংসটিও দলের সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, যার সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে জেমিসন ২৯ রানে ২ উইকেট নেন।

১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালোই ছিল। একপর্যায়ে শেষ ৬০ বলে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৭০ রান, হাতে ছিল ৭ উইকেট। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই স্পিনার কেশব মহারাজ (২২ রানে ২ উইকেট) ও অভিষিক্ত প্রিনেলান সুব্রায়েন (১৩ রানে ২ উইকেট) দারুণ বোলিং করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। দুজনে মিলে ৭ ওভারে মাত্র ৩৫ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নেন। তাদের সঙ্গে পেসার জেরাল্ড কোয়েতজিও (৩১ রানে ৩ উইকেট) জ্বলে উঠলে নিউজিল্যান্ড দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে।

শেষের দিকে এসে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে এবং তারা ১৮.৫ ওভারে ১৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। টিম রবিনসন ৩২ ও ক্লেভার ২৬ রান করেন। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯ রানের জয় নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরায়। এখন সিরিজের শেষ ম্যাচটিই নির্ধারণ করবে কোন দল শিরোপা হাতে তুলবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের সময় বাঁচাতে প্রতিটি উপজেলায় হচ্ছে আধুনিক পরীক্ষা কেন্দ্র

নিউজিল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা টি-টোয়েন্টি সিরিজ ২-২ সমতা, শিরোপার ফয়সালা শেষ ম্যাচে

আপডেট সময় : ০৫:৩৪:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ মার্চ ২০২৬

ওয়েলিংটনের স্কাই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত চতুর্থ টি-টোয়েন্টি ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১৯ রানে হেরেছে স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। এই পরাজয়ের ফলে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ২-২ সমতা ফিরে এসেছে। সিরিজের শিরোপা নির্ধারণ হবে আগামী ২৫ মার্চ ক্রাইস্টচার্চে অনুষ্ঠিতব্য পঞ্চম ও শেষ ম্যাচে। নিউজিল্যান্ডের অধিনায়ক জিমি নিশাম ম্যাচ শেষে জানান, ১৬৪ রান খুব খারাপ স্কোর না হলেও, ম্যাচ জেতার জন্য যথেষ্ট ছিল না।

সিরিজে সমতা ফিরিয়ে আনা এই ম্যাচে ব্যাট হাতে দক্ষিণ আফ্রিকার নায়ক ছিলেন উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান কনর ইস্টারহুইজেন। ওয়ানডাউনে ব্যাট করতে নেমে তিনি ৩৬ বলে ৫৭ রানের এক দারুণ ঝড়ো ইনিংস খেলেন, যেখানে ছিল ৩টি ছক্কা ও ৭টি বাউন্ডারি। তার এই অসাধারণ পারফরম্যান্স তাকে ম্যাচ সেরার পুরস্কার এনে দেয়।

ম্যাচের শুরুটা অবশ্য দক্ষিণ আফ্রিকার জন্য ভালো ছিল না। টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে দ্বিতীয় বলেই ওপেনার মুলডারকে হারায় তারা। তবে দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে ইস্টারহুইজেন এবং ওপেনার টনি ডি জর্জি (২৩ রান) সেই প্রাথমিক ধাক্কা সামলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। মিডলঅর্ডারে রবিন হারম্যানের ২৫ বলে ২৮ রানের ইনিংসটিও দলের সংগ্রহে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে, যার সুবাদে দক্ষিণ আফ্রিকা নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেটে ১৬৪ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর দাঁড় করায়। নিউজিল্যান্ডের হয়ে জেমিসন ২৯ রানে ২ উইকেট নেন।

১৬৫ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ডের শুরুটা ভালোই ছিল। একপর্যায়ে শেষ ৬০ বলে তাদের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ৭০ রান, হাতে ছিল ৭ উইকেট। কিন্তু মাঝের ওভারগুলোতে দক্ষিণ আফ্রিকার দুই স্পিনার কেশব মহারাজ (২২ রানে ২ উইকেট) ও অভিষিক্ত প্রিনেলান সুব্রায়েন (১৩ রানে ২ উইকেট) দারুণ বোলিং করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন। দুজনে মিলে ৭ ওভারে মাত্র ৩৫ রান খরচায় ৪ উইকেট তুলে নেন। তাদের সঙ্গে পেসার জেরাল্ড কোয়েতজিও (৩১ রানে ৩ উইকেট) জ্বলে উঠলে নিউজিল্যান্ড দ্রুত উইকেট হারাতে থাকে।

শেষের দিকে এসে নিউজিল্যান্ডের ব্যাটিং লাইনআপ ধসে পড়ে এবং তারা ১৮.৫ ওভারে ১৪৫ রানে অলআউট হয়ে যায়। টিম রবিনসন ৩২ ও ক্লেভার ২৬ রান করেন। ফলে দক্ষিণ আফ্রিকা ১৯ রানের জয় নিয়ে সিরিজে সমতা ফেরায়। এখন সিরিজের শেষ ম্যাচটিই নির্ধারণ করবে কোন দল শিরোপা হাতে তুলবে।