ঢাকা ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

পেন্টাগনের সংবাদমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধ অসাংবিধানিক: মার্কিন আদালত

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত পেন্টাগনের প্রেস-সংক্রান্ত বিধিনিষেধকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। আদালত মনে করে, এই নীতি দেশটির সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন করছে।

ওয়াশিংটন ডিসির জেলা আদালতের বিচারক পল ফ্রিডম্যান পেন্টাগনের ওই নীতির কিছু অংশ বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে, তিনি ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’-এর সাতজন সাংবাদিকের প্রেস পাস পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। ওই সাংবাদিকেরা গত অক্টোবরে নতুন নীতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদের পরিচয়পত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

বিচারক তার রায়ে বলেন, পেন্টাগনের নীতি এমন সাংবাদিকদের সুবিধা দেয়, যারা কেবল ‘অনুকূল বা পূর্বনির্ধারিত তথ্য’ প্রকাশ করতে রাজি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই নীতি সরকারকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিয়েছে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, এই নীতি সাংবাদিকদের পঞ্চম সংশোধনীর অধীনে ন্যায্য আইনি অধিকার লঙ্ঘন করে, কারণ এতে স্পষ্টভাবে বলা নেই কীভাবে কাজ করলে সাংবাদিকেরা তাদের পরিচয়পত্র হারাবেন না।

এই রায়কে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়ানোর নানা পদক্ষেপ নিয়েছিল।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, তারা আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন এবং এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

আদালত জোর দিয়ে বলেছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে জানার অধিকার রক্ষা করা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের খেলার সূচি: ইউরোপিয়ান ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচের জমজমাট লড়াই

পেন্টাগনের সংবাদমাধ্যমের ওপর বিধিনিষেধ অসাংবিধানিক: মার্কিন আদালত

আপডেট সময় : ১২:৫৩:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ মার্চ ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রের একটি ফেডারেল আদালত পেন্টাগনের প্রেস-সংক্রান্ত বিধিনিষেধকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছে। আদালত মনে করে, এই নীতি দেশটির সংবিধানের প্রথম সংশোধনী লঙ্ঘন করছে।

ওয়াশিংটন ডিসির জেলা আদালতের বিচারক পল ফ্রিডম্যান পেন্টাগনের ওই নীতির কিছু অংশ বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে, তিনি ‘দ্য নিউইয়র্ক টাইমস’-এর সাতজন সাংবাদিকের প্রেস পাস পুনরায় ফিরিয়ে দেওয়ার আদেশ দেন। ওই সাংবাদিকেরা গত অক্টোবরে নতুন নীতিতে স্বাক্ষর করতে অস্বীকৃতি জানিয়ে তাদের পরিচয়পত্র ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।

বিচারক তার রায়ে বলেন, পেন্টাগনের নীতি এমন সাংবাদিকদের সুবিধা দেয়, যারা কেবল ‘অনুকূল বা পূর্বনির্ধারিত তথ্য’ প্রকাশ করতে রাজি। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই নীতি সরকারকে অতিরিক্ত ক্ষমতা দিয়েছে এবং সাংবাদিকদের পেশাগত স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করছে।

রায়ে আরও বলা হয়েছে, এই নীতি সাংবাদিকদের পঞ্চম সংশোধনীর অধীনে ন্যায্য আইনি অধিকার লঙ্ঘন করে, কারণ এতে স্পষ্টভাবে বলা নেই কীভাবে কাজ করলে সাংবাদিকেরা তাদের পরিচয়পত্র হারাবেন না।

এই রায়কে সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প প্রশাসন ইতোমধ্যে সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ বাড়ানোর নানা পদক্ষেপ নিয়েছিল।

পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে বলেছেন, তারা আদালতের সিদ্ধান্তের সঙ্গে একমত নন এবং এর বিরুদ্ধে আপিল করবেন।

আদালত জোর দিয়ে বলেছে যে, জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হলেও সরকারের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে জানার অধিকার রক্ষা করা গণতন্ত্রের জন্য অপরিহার্য।