ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঈদযাত্রায় গাজীপুর মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, ধীর গতির যান চলাচল

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভিড়ে গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। শিল্পকারখানা ছুটি হওয়ায় মহাসড়কে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে, যার ফলে স্টেশন এলাকায় যান চলাচল ধীর গতিতে চলছে।

বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, কলেজ গেইট, বোর্ড বাজার এবং চান্দনা চৌরাস্তার মতো স্টেশনগুলোতে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং এবং যাত্রী ওঠানামার কারণে এই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট কিছুটা বেশি বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় বিভিন্ন সড়ক থেকে আসা যানবাহন একত্রিত হওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের ওয়ালটন কারখানা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যানবাহন ধীরগতিতে চলছে। দুপুর নাগাদ পোশাক কারখানা ছুটি হলে ভিড় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার তৈরি পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ার পর থেকেই শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ গাজীপুর ছেড়েছেন। ফলে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের ভিড় দেখা গেছে, যা সকাল পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, গাজীপুরের ৯৮ শতাংশ কারখানা শ্রমিকদের বেতন এবং ৯৯ শতাংশ কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে বলে শিল্প পুলিশ জানিয়েছে। তবে কিছু কারখানায় বেতন ও বোনাস পরিশোধের কাজ বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঈদে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুরের কারখানাগুলো চারটি ধাপে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ১৬ মার্চ ৬২টি, ১৭ মার্চ ৪৪৪টি, ১৮ মার্চ ১ হাজার ৪১৪টি এবং ১৯ মার্চ ৮৩৩টি কারখানা ছুটি দেওয়া হবে। তবে বায়ারদের চাহিদা পূরণের জন্য ৮১টি কারখানা ঈদের ছুটিতেও আংশিক খোলা থাকবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, আহত ২

ঈদযাত্রায় গাজীপুর মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি, ধীর গতির যান চলাচল

আপডেট সময় : ০৯:৫১:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ভিড়ে গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়েছে। শিল্পকারখানা ছুটি হওয়ায় মহাসড়কে অতিরিক্ত যাত্রী ও যানবাহনের চাপ বেড়েছে, যার ফলে স্টেশন এলাকায় যান চলাচল ধীর গতিতে চলছে।

বুধবার সকাল থেকেই ঢাকা-টাঙ্গাইল ও ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের টঙ্গী, কলেজ গেইট, বোর্ড বাজার এবং চান্দনা চৌরাস্তার মতো স্টেশনগুলোতে যানবাহনের ধীরগতি লক্ষ্য করা গেছে। সড়কের পাশে গাড়ি পার্কিং এবং যাত্রী ওঠানামার কারণে এই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। চান্দনা চৌরাস্তায় যানজট কিছুটা বেশি বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা ত্রিমোড় এলাকায় বিভিন্ন সড়ক থেকে আসা যানবাহন একত্রিত হওয়ায় অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হয়েছে। নবীনগর-চন্দ্রা মহাসড়কের ওয়ালটন কারখানা থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত যানবাহন ধীরগতিতে চলছে। দুপুর নাগাদ পোশাক কারখানা ছুটি হলে ভিড় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার তৈরি পোশাক কারখানা ছুটি হওয়ার পর থেকেই শ্রমিক ও বিভিন্ন পেশার মানুষ গাজীপুর ছেড়েছেন। ফলে মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনের ভিড় দেখা গেছে, যা সকাল পর্যন্ত অব্যাহত রয়েছে।

এদিকে, গাজীপুরের ৯৮ শতাংশ কারখানা শ্রমিকদের বেতন এবং ৯৯ শতাংশ কারখানা বোনাস পরিশোধ করেছে বলে শিল্প পুলিশ জানিয়েছে। তবে কিছু কারখানায় বেতন ও বোনাস পরিশোধের কাজ বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ঈদে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে গাজীপুরের কারখানাগুলো চারটি ধাপে ছুটি দেওয়া হচ্ছে। ১৬ মার্চ ৬২টি, ১৭ মার্চ ৪৪৪টি, ১৮ মার্চ ১ হাজার ৪১৪টি এবং ১৯ মার্চ ৮৩৩টি কারখানা ছুটি দেওয়া হবে। তবে বায়ারদের চাহিদা পূরণের জন্য ৮১টি কারখানা ঈদের ছুটিতেও আংশিক খোলা থাকবে।