ঢাকা ১২:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ঈদযাত্রায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের উপচে পড়া ভিড়, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে। বুধবার সকাল থেকেই এই রুটে যানবাহনের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে, যা বেলা বাড়ার সাথে সাথে আরও তীব্র হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ঢাকা থেকে গন্তব্যে ফিরতে তাদের বাড়তি ভাড়া গুণতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের দক্ষিণাঞ্চলগামী লেনে দূরপাল্লার পরিবহন, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং মোটরসাইকেলের লম্বা সারি। ঢাকা থেকে প্রায় সব দূরপাল্লার পরিবহনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। লোকাল পরিবহনেও একই চিত্র দেখা গেছে। গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ী থেকে মাদারীপুরের শিবচরের বিভিন্ন স্টপেজ পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় যাত্রীরা ভোর থেকেই বাড়ি ফেরার জন্য ভিড় করছেন। ঢাকা থেকে শিবচর পর্যন্ত লোকাল পরিবহনে ১৭০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও, ঈদের সময় তা প্রায় আড়াইশ থেকে সাড়ে চারশ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরাই বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে। পদ্মা সেতু পার হয়ে শিবচর ও ভাঙ্গার বিভিন্ন স্টপেজে নামতে এই ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী প্রতীক রহমান জানান, ‘ঈদের সময় বরাবরই বেশি ভাড়া নেওয়া হয়। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে হয়েছে। যাত্রীদের প্রচুর ভিড় এবং পরিবহন ভেদে ভাড়াও বেশি। ঢাকা থেকে শিবচর পর্যন্ত ৪৫০ টাকা নিয়েছে।’

রাজা মিয়া নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘ঈদের সময় বাড়ি ফেরাটা একটা চ্যালেঞ্জ। পদ্মা সেতু হওয়ার পর ভোগান্তি কিছুটা কমেছে, তবে ভাড়ার পরিমাণ বেশি। ভিড়ের কারণে নিজের জায়গা করে নেওয়াটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

এক্সপ্রেসওয়ের পাঁচ্চর গোলচত্বরসহ বিভিন্ন স্টপেজে ঢাকা থেকে আসা যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নোয়াখালীর প্রবাসীর মৃত্যু, আহত ২

ঈদযাত্রায় ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে যানবাহনের উপচে পড়া ভিড়, বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:৫১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের ঢল নেমেছে ঢাকা-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে। বুধবার সকাল থেকেই এই রুটে যানবাহনের ব্যাপক চাপ লক্ষ্য করা গেছে, যা বেলা বাড়ার সাথে সাথে আরও তীব্র হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, ঢাকা থেকে গন্তব্যে ফিরতে তাদের বাড়তি ভাড়া গুণতে হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, এক্সপ্রেসওয়ের দক্ষিণাঞ্চলগামী লেনে দূরপাল্লার পরিবহন, ব্যক্তিগত গাড়ি এবং মোটরসাইকেলের লম্বা সারি। ঢাকা থেকে প্রায় সব দূরপাল্লার পরিবহনেই যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। লোকাল পরিবহনেও একই চিত্র দেখা গেছে। গুলিস্তান ও যাত্রাবাড়ী থেকে মাদারীপুরের শিবচরের বিভিন্ন স্টপেজ পর্যন্ত স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ভাড়া আদায় করা হচ্ছে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার থেকে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ায় যাত্রীরা ভোর থেকেই বাড়ি ফেরার জন্য ভিড় করছেন। ঢাকা থেকে শিবচর পর্যন্ত লোকাল পরিবহনে ১৭০ টাকা ভাড়া নেওয়া হলেও, ঈদের সময় তা প্রায় আড়াইশ থেকে সাড়ে চারশ টাকা পর্যন্ত আদায় করা হচ্ছে। স্বল্প দূরত্বের যাত্রীরাই বেশি ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন বলে জানা গেছে। পদ্মা সেতু পার হয়ে শিবচর ও ভাঙ্গার বিভিন্ন স্টপেজে নামতে এই ভাড়া গুনতে হচ্ছে।

ঢাকা থেকে আসা যাত্রী প্রতীক রহমান জানান, ‘ঈদের সময় বরাবরই বেশি ভাড়া নেওয়া হয়। সকাল থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে বাসে উঠতে হয়েছে। যাত্রীদের প্রচুর ভিড় এবং পরিবহন ভেদে ভাড়াও বেশি। ঢাকা থেকে শিবচর পর্যন্ত ৪৫০ টাকা নিয়েছে।’

রাজা মিয়া নামের আরেক যাত্রী বলেন, ‘ঈদের সময় বাড়ি ফেরাটা একটা চ্যালেঞ্জ। পদ্মা সেতু হওয়ার পর ভোগান্তি কিছুটা কমেছে, তবে ভাড়ার পরিমাণ বেশি। ভিড়ের কারণে নিজের জায়গা করে নেওয়াটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।’

এক্সপ্রেসওয়ের পাঁচ্চর গোলচত্বরসহ বিভিন্ন স্টপেজে ঢাকা থেকে আসা যাত্রীদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।