বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের এক মাস পূর্ণ হয়েছে। এই সময়ে সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।
বিশ্লেষকদের মতে, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু এবং খাল খনন কর্মসূচির মতো নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া শুরু করা সরকারের ইতিবাচক দিক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে, দলের সমর্থক এক ব্যবসায়ীকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ নিয়ে সমালোচনাও কম হচ্ছে না।
নির্বাচনের আগে থেকেই চাঁদাবাজির অভিযোগে প্রতিপক্ষের তীব্র সমালোচনার মুখে থাকা বিএনপি সরকার গঠনের পরেও এই বিষয়টি কতটা নিয়ন্ত্রণে আনতে পেরেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এছাড়া, লন্ডনে বাংলাদেশ হাইকমিশনারকে প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া নিয়েও সমালোচনা হয়েছে।
আরও সমালোচনার মুখে পড়েছে সিটি করপোরেশন ও ৪২ জেলায় দলীয় নেতাদের প্রশাসক নিয়োগ এবং বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে আগের মতো দলীয় সমর্থক শিক্ষকদের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া।
অন্যদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সরকারের প্রথম ২৮ দিনের ‘২৮ পদক্ষেপ’ প্রকাশ করে একে ‘এক অভূতপূর্ব কর্মযজ্ঞ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তার দাবি, এসব পদক্ষেপ ‘সামাজিক সুরক্ষা, অর্থনীতি, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় মূল্যবোধের প্রতিটি অঙ্গনকে আলোকিত করেছে’।
উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যরা শপথ গ্রহণ করেন।
এর আগে, ২০২৪ সালের আগস্ট মাসে গণআন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিয়েছিলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।
নির্বাচনের আগে, গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরেছিলেন প্রায় ১৭ বছর ধরে লন্ডনে রাজনৈতিক আশ্রয়ে থাকা তারেক রহমান।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, সরকার গঠনের পর থেকেই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে এবং এজন্য এবার ১০০ দিনের পরিবর্তে ১৮০ দিনের একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে।
মন্ত্রিপরিষদের প্রথম বৈঠক শেষে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ‘সরকারের প্রথম দিন একটা কেবিনেট মিটিং করতে হয়। আমরা সবাই বসেছি।’
রিপোর্টারের নাম 

























