ঢাকা ০২:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বড় অগ্রগতির দাবি জেডি ভ্যান্সের, নৌ অবরোধের পক্ষে সাফাই

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের আলোচনায় ইতিবাচক মোড় লক্ষ্য করা গেছে। কোন কোন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় হতে পারে বা ছাড় দিতে পারে, সে বিষয়ে একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভ্যান্স এই আলোচনাকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের ইতিহাসে এবারই প্রথম দুই দেশের সরকারের মধ্যে এত উচ্চপর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। একটি ‘ভালো চুক্তি’ নিশ্চিত করতে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে, তা এই বৈঠকে নির্ধারিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে চুক্তির চূড়ান্ত সফলতা নির্ভর করবে ইরানের সদিচ্ছার ওপর।

কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পক্ষেও যুক্তি দিয়েছেন জেডি ভ্যান্স। তিনি অভিযোগ করেন, ইরান হরমুজ প্রণালিসহ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে অস্থিরতা তৈরি করে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন নৌ অবরোধকে একটি প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। ভ্যান্স স্পষ্ট করে বলেন, ইরান যদি বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাধা দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রও কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ভ্যান্স জানান, ইরান সরকারের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলেও মার্কিন প্রশাসন ইরানি জনগণের সমৃদ্ধি কামনা করে। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নববর্ষের ঐতিহ্য ও চৈত্রসংক্রান্তির তাৎপর্য: বৈশাখে ইলিশের আড়ালে হারিয়ে যাওয়া গ্রামীণ উৎসব

ইরানের সঙ্গে আলোচনায় বড় অগ্রগতির দাবি জেডি ভ্যান্সের, নৌ অবরোধের পক্ষে সাফাই

আপডেট সময় : ১২:২৪:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির দাবি করেছেন মার্কিন ভাইস-প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। সম্প্রতি মার্কিন সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তেহরানের সঙ্গে ওয়াশিংটনের আলোচনায় ইতিবাচক মোড় লক্ষ্য করা গেছে। কোন কোন শর্তে যুক্তরাষ্ট্র নমনীয় হতে পারে বা ছাড় দিতে পারে, সে বিষয়ে একটি স্পষ্ট রূপরেখা তৈরি করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ভ্যান্স এই আলোচনাকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, ইরানের বর্তমান নেতৃত্বের ইতিহাসে এবারই প্রথম দুই দেশের সরকারের মধ্যে এত উচ্চপর্যায়ে ফলপ্রসূ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে। একটি ‘ভালো চুক্তি’ নিশ্চিত করতে কোন বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পাবে, তা এই বৈঠকে নির্ধারিত হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন। তবে চুক্তির চূড়ান্ত সফলতা নির্ভর করবে ইরানের সদিচ্ছার ওপর।

কূটনৈতিক আলোচনার পাশাপাশি ইরানের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান বজায় রাখার পক্ষেও যুক্তি দিয়েছেন জেডি ভ্যান্স। তিনি অভিযোগ করেন, ইরান হরমুজ প্রণালিসহ আন্তর্জাতিক বাণিজ্যপথে অস্থিরতা তৈরি করে ‘অর্থনৈতিক সন্ত্রাসবাদ’ চালাচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে মার্কিন নৌ অবরোধকে একটি প্রয়োজনীয় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে অভিহিত করেন তিনি। ভ্যান্স স্পষ্ট করে বলেন, ইরান যদি বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাধা দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রও কঠোর পদক্ষেপ নিতে দ্বিধা করবে না।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবস্থানের কথা উল্লেখ করে ভ্যান্স জানান, ইরান সরকারের ওপর সর্বোচ্চ অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগ করা হলেও মার্কিন প্রশাসন ইরানি জনগণের সমৃদ্ধি কামনা করে। তবে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার স্বার্থে কোনো ধরনের আপস করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।