বর্তমান যুগে প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির পাশাপাশি এর অপব্যবহার তরুণ সমাজের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অতিরিক্ত ব্যবহার ও ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি তরুণদের পড়াশোনা এবং সৃজনশীল কাজের মনোযোগ নষ্ট করছে। অনেক ক্ষেত্রে এই আসক্তি মাদকের মতোই মারাত্মক আকার ধারণ করছে, যা তাদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত উন্নয়নের পথে অন্তরায় হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
প্রযুক্তির অপব্যবহারের ফলে সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা এবং ভুয়া তথ্য বা গুজব ছড়িয়ে পড়ার মতো ঘটনা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। সঠিক যাচাই ছাড়াই তথ্য শেয়ার করার প্রবণতা সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। এছাড়া হ্যাকিং ও ব্যক্তিগত তথ্য চুরির মতো অপরাধও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা ডিজিটাল নিরাপত্তার জন্য বড় ঝুঁকি।
মানসিক স্বাস্থ্যের ওপরও প্রযুক্তির নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। দীর্ঘ সময় স্ক্রিনের সামনে কাটানোর ফলে তরুণদের মধ্যে অনিদ্রা, অবসাদ এবং মনোযোগের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। বাস্তব জীবনের সামাজিক যোগাযোগ কমে যাওয়ায় বাড়ছে একাকিত্ব ও বিষণ্নতা। এই পরিস্থিতি থেকে উত্তরণে ডিজিটাল সচেতনতা ও সময়ের সঠিক ব্যবস্থাপনা অপরিহার্য। প্রযুক্তিকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে না দেখে শিক্ষা ও দক্ষতা বৃদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।
রিপোর্টারের নাম 



















