ঢাকা ০৩:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: কৃষিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

দেশের কৃষি ও মৎস্য খাতে গতিশীলতা আনতে ৫৪ জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খালের পুনঃখনন কাজের মধ্য দিয়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা করা হয়। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মৃতপ্রায় খালগুলো উদ্ধার করে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন করা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে কেবল সেচ সুবিধাই বাড়বে না, বরং খালগুলোতে মাছ ও হাঁস পালনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সমাবেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খালগুলো সচল হলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

স্থানীয় কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো ভরাট থাকায় তাদের চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটছিল। বিশেষ করে পূর্বের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি স্মরণ করে তারা জানান, সঠিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হতো। এখন খাল খননের ফলে ধান, ভুট্টা ও সরিষাসহ বিভিন্ন রবি শস্যের আবাদে সেচ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে তারা আশাবাদী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় আন্তর্জাতিক শান্তি বাহিনী মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসরায়েল

দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন: কৃষিতে নতুন দিগন্তের প্রত্যাশা

আপডেট সময় : ০১:১৯:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

দেশের কৃষি ও মৎস্য খাতে গতিশীলতা আনতে ৫৪ জেলায় একযোগে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়ায় ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি খালের পুনঃখনন কাজের মধ্য দিয়ে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সূচনা করা হয়। সরকারের এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো মৃতপ্রায় খালগুলো উদ্ধার করে সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন করা।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এই কর্মসূচির মাধ্যমে কেবল সেচ সুবিধাই বাড়বে না, বরং খালগুলোতে মাছ ও হাঁস পালনের মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে এক নতুন প্রাণের সঞ্চার হবে। পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই সমাবেশে বিপুল সংখ্যক মানুষ অংশ নেন। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, খালগুলো সচল হলে ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমবে এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা পাবে।

স্থানীয় কৃষকরা এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে খালগুলো ভরাট থাকায় তাদের চাষাবাদে বিঘ্ন ঘটছিল। বিশেষ করে পূর্বের ভয়াবহ বন্যার স্মৃতি স্মরণ করে তারা জানান, সঠিক পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক কম হতো। এখন খাল খননের ফলে ধান, ভুট্টা ও সরিষাসহ বিভিন্ন রবি শস্যের আবাদে সেচ খরচ উল্লেখযোগ্য হারে কমবে বলে তারা আশাবাদী।