আসন্ন ওমরাহ মৌসুমকে সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি সময়সীমা ঘোষণা করেছে সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়। নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, ওমরাহ ভিসা প্রদান, সৌদি আরবে প্রবেশ এবং ওমরাহ পালনের পর দেশত্যাগের জন্য কঠোর সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা অনুযায়ী, চলতি শাওয়াল মাসের প্রথম দিন (২০ মার্চ) হবে ওমরাহ ভিসা ইস্যুর শেষ দিন। এছাড়া, ওমরাহযাত্রীদের ১৫ শাওয়ালের (৩ এপ্রিল) মধ্যে সৌদি আরবে প্রবেশ করতে হবে। ওমরাহ পালন শেষে যাত্রীদের পবিত্র যিলকদ মাসের প্রথম দিনের (১৮ এপ্রিল) মধ্যে সৌদি আরব ত্যাগ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
বৈঠকে দেশটির মন্ত্রণালয় পুনর্ব্যক্ত করে জানায়, হজ পালনের জন্য অবশ্যই বৈধ হজ ভিসা থাকতে হবে। ওমরাহ ভিসা ব্যবহার করে হজ পালন করা যাবে না। এই নিয়ম হজ অনুষ্ঠান সুষ্ঠু ও নিরাপদে সম্পন্ন করার জন্য জরুরি।
সৌদি হজ ও ওমরাহমন্ত্রী ড. তৌফিক আল রাবিয়াহ রমজান মাসে ওমরাহ কোম্পানিগুলোর সহযোগিতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, হজযাত্রীদের সেবা প্রদান, আটকে পড়া ওমরাহ পালনকারীদের সহায়তা এবং তাদের ফেরত যাত্রা সহজ করতে এসব কোম্পানি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি আরও বলেন, বিমানবন্দরে পর্যায়ক্রমিক আগমনের সময়সূচি মেনে চলা এবং ‘নুসুক মাসার’ প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে হজযাত্রীদের প্রস্থানের তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সভায় ওমরাহ মৌসুমের বিভিন্ন কর্মক্ষমতা সূচক পর্যালোচনা করা হয় এবং ২০২৬ সালে অনুষ্ঠিতব্য তৃতীয় ওমরাহ ও ভিজিট ফোরামের প্রস্তুতি নিয়েও আলোচনা হয়। এই ফোরামের লক্ষ্য হলো অংশীদারদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদার করা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং হজযাত্রীদের সেবার মান আরও উন্নত করা। মন্ত্রণালয় জানায়, নিয়মিত এসব সভা আয়োজনের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট খাতের অংশীদারদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে, যাতে হজ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্য সেবার মান উন্নত করা যায়। এটি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ কৌশলের সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ, যার লক্ষ্য ওমরাহ পালনকারী ও দর্শনার্থীদের অভিজ্ঞতা আরও উন্নত করা।
উল্লেখ্য, আসন্ন হজ মৌসুমের প্রস্তুতি এবং নিবন্ধন ছাড়া হজযাত্রীদের হজপালন থেকে বিরত রাখতে ওমরাহ ভিসা বন্ধ রাখা হয়। হজযাত্রীদের নিরাপত্তার জন্য এই নিয়ম জারি করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























