ঢাকা ০১:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে সারজিস আলমের কড়া জবাব: মিথ্যাচার ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:১৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
  • ১৪ বার পড়া হয়েছে

চাঁদাবাজি ও মিথ্যা প্রচারণার এক্টিভিস্ট ইলিয়াস হোসাইনের তোলা অভিযোগের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে একাধিক অভিযোগের জবাব দিয়ে তিনি ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার অভিযোগ তুলেছেন।

স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, ‘গতকালকে ডেইলি স্টারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের নেত্রবৃন্দ সেখানে উপস্থিত হন। আমিরে জামায়াত, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব সালাউদ্দিন আহমেদ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনের সকলে শুভেচ্ছা জানান। কিন্তু আমার উপস্থিতির ছবি নিয়ে ইলিয়াস হোসাইন নোংরামি শুরু করেছে। এর আগেও সে একাধিকবার মিথ্যাচার করেছে।’

তিনি একাধিক ঘটনার উল্লেখ করে ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। ‘১ জানুয়ারি ২০২৬, বছরের প্রথম দিনে আমি পোস্ট দিয়েছিলাম শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও রায় কার্যকর করতে হবে। তখন এই থার্ডক্লাস গুজববাজ বলল ওসমান হাদী ভাইয়ের খুনি নাকি দেশে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আবাসন সমিতিতে এ আছে এবং আমি সূক্ষ্মভাবে মানুষের মনোযোগ সরানোর জন্য নাকি বিদেশ থেকে খুনি ফিরিয়ে আনার জন্য বলছি। আমি নাকি চক্রান্ত করে এটা করছি। অথচ কিছুদিন আগে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভারত থেকে ওসমান হাদী ভাইয়ের খুনিদের গ্রেফতার করে। তখন এই নির্লজ্জ অ্যাক্টিভিস্ট এর নূন্যতম লজ্জা হয় না!’

আরেকটি ঘটনায় তিনি লেখেন, ‘একই পোস্টে এই ইলিয়াস হোসাইন বলে- ওবায়দুল কাদেরকে ভারত সীমান্তে নিয়ে যেতে নাকি আর্মি চিফ জেনারেল ওয়াকার আমার গাড়ি ব্যবহার করেছে! একটা লোক কত বড় ননসেন্স এবং গবেট হলে এটা চিন্তা করতে পারে যে একটা দেশের সেনাপ্রধানের কোনো একটা কাজের জন্য আমার গাড়ির প্রয়োজন হতে পারে! তাও আবার ওবায়দুল কাদেরকে সীমান্ত পার করার জন্য! ন্যূনতম কমনসেন্স থাকলে এইটুকু ভাবতে পারতো যে ওবায়দুল কাদের যদি পালাতে চায় তাইলে বাংলাদেশের যে পাঁচটা লোকের সাথে ভুলেও যোগাযোগ করার সাহস করবে না তার মধ্যে সারজিস একজন। হাসিনা কিংবা ওবায়দুল কাদেররা ফিরে আসলে দশটা লোকের উপর প্রথম প্রতিশোধ নিলে তার মধ্যে সারজিস অটোচয়েজ। আর ওবায়দুল কাদেরকে নাকি আমি সীমান্ত পার করেছি! একটা লোক কতটা উন্মাদ হলে এই ধরনের কথা ভাবতে পারে!’

তিনি আরও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তো গবেট অ্যাক্টিভিস্ট, যদি আমি সীমান্ত পার করে থাকি তাহলে কবে করলাম, কোন গাড়িতে করলাম, আমি ছিলাম কিনা, তখন আমার লোকেশন কোথায় ছিল, আমার সাথে জেনারেল ওয়াকারের কিভাবে যোগাযোগ হল, ওবায়দুল কাদেরের কিভাবে যোগাযোগ হল, এসব সংক্রান্ত একটা এভিডেন্স দেখান। না হলে জুতার মালা গলায় দিয়ে অ্যাক্টিভিজম নামক ধান্দাবাজি বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’

তৃতীয় ঘটনায় সারজিস আলম দাবি করেন, ‘গতকালকে এই বুলশিট ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে আমি নাকি কোন কনফিডেন্স গ্রুপের থেকে ২০ কোটি টাকা নিয়েছি। অথচ এই নাম আমি গতকালকে তার পোষ্টের মাধ্যমে প্রথম জানতে পারলাম। আপনি এবং আপনার চৌদ্দ পুরুষ একসাথে মিলে কনফিডেন্স গ্রুপের কারো থেকে টাকা নেওয়া তো দূরের কথা বিগত দুই বছরে কোনদিন দেখা করা, কথা বলা কিংবা টাকার আলাপ করার কোন এভিডেন্স যদি দিতে পারেন তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দিব। আর না হলে মুখে চুনকালি মেখে আপনি এই বস্তিমার্কা বাটপারির একটিভিজম ছেড়ে দেন।’

আরেকটি অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘ইলিয়াস হোসেনের বাংলা এডিশন চ্যানেলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটা ভিডিও ছাড়া হয়েছে। যেখানে বিগত দুই বছরের এক লাইন দুই লাইন করে কথা কেটে কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নেগেটিভ ফ্রেমিং করা হয়েছে।’

শোডাউন ও ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই ইলিয়াস বলে আমি একবার শতাধিক গাড়ি শোডাউন দিয়েছিলাম। কিন্তু এরপর পুরো নির্বাচন জুড়ে বিএনপি জামায়াত থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা যে হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে শোডাউন দিলো সেগুলো নিয়ে ইলিয়াসদের মাথাব্যথা নাই। আবার তার ব্যক্তি উদ্দেশ্য সার্ভ করা বাংলা এডিশন চ্যানেল বলে- আমি নাকি দামী ব্র্যান্ডের ঘড়ি পড়ে বিতর্কিত হয়েছি! অথচ বিগত দুই বছরে আমি ১০ দিনও সম্ভবত ঘড়ি পড়ি নাই! এবং যেটা পড়েছি সেটার দাম ৩ হাজার টাকাও না। যেটা নিউমার্কেট থেকে কেনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘তো ইলিয়াস হোসাইন কিংবা তার ব্যক্তিগত প্রোপাগান্ডা নিউজ চ্যানেল বাংলা এডিশন যদি দামি ঘড়ির দাম উন্মোচন করে তাহলে তার অভিযোগ মেনে নিব। অন্যথায় ন্যূনতম লজ্জা থাকলে এসব ছ্যাচরামির দোকান যেন বন্ধ করে দেয়।’

সবশেষে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, ‘ইলিয়াস হোসাইন হয়তো জানে না যে, সে এভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে অনেক ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা অনলাইন চাঁদাবাজি করে পার পেয়ে যেতে পারে; কিন্তু ওই সুযোগ আমরা দিব না। উপরে উপরে দেশপ্রেমিক, ইসলামপন্থী আর বিশাল গোয়েন্দা অ্যাক্টিভিস্ট সেজে ভিতরে ভিতরে কিসের বিনিময়ে, কার উদ্দেশ্য এই ইলিয়াসরা বাস্তবায়ন করতে চায় সেটা খুব দ্রুত বের হয়ে আসবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা।’

ট্যাগস :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

আপলোডকারীর তথ্য

Mahbub

জনপ্রিয় সংবাদ

ডিজেল সংকট: কৃষক নয়, ঝুঁকিতে পড়েছে গোটা দেশ

ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে সারজিস আলমের কড়া জবাব: মিথ্যাচার ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:১৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

চাঁদাবাজি ও মিথ্যা প্রচারণার এক্টিভিস্ট ইলিয়াস হোসাইনের তোলা অভিযোগের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। এ বিষয়ে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে একাধিক অভিযোগের জবাব দিয়ে তিনি ইলিয়াসের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক মিথ্যাচার ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারণার অভিযোগ তুলেছেন।

স্ট্যাটাসে সারজিস আলম লেখেন, ‘গতকালকে ডেইলি স্টারের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে বাংলাদেশের সকল রাজনৈতিক দলের নেত্রবৃন্দ সেখানে উপস্থিত হন। আমিরে জামায়াত, বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্ব সালাউদ্দিন আহমেদ থেকে শুরু করে রাজনৈতিক অঙ্গনের সকলে শুভেচ্ছা জানান। কিন্তু আমার উপস্থিতির ছবি নিয়ে ইলিয়াস হোসাইন নোংরামি শুরু করেছে। এর আগেও সে একাধিকবার মিথ্যাচার করেছে।’

তিনি একাধিক ঘটনার উল্লেখ করে ইলিয়াস হোসাইনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন। ‘১ জানুয়ারি ২০২৬, বছরের প্রথম দিনে আমি পোস্ট দিয়েছিলাম শহীদ ওসমান হাদীর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার ও রায় কার্যকর করতে হবে। তখন এই থার্ডক্লাস গুজববাজ বলল ওসমান হাদী ভাইয়ের খুনি নাকি দেশে প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আবাসন সমিতিতে এ আছে এবং আমি সূক্ষ্মভাবে মানুষের মনোযোগ সরানোর জন্য নাকি বিদেশ থেকে খুনি ফিরিয়ে আনার জন্য বলছি। আমি নাকি চক্রান্ত করে এটা করছি। অথচ কিছুদিন আগে ভারতের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ভারত থেকে ওসমান হাদী ভাইয়ের খুনিদের গ্রেফতার করে। তখন এই নির্লজ্জ অ্যাক্টিভিস্ট এর নূন্যতম লজ্জা হয় না!’

আরেকটি ঘটনায় তিনি লেখেন, ‘একই পোস্টে এই ইলিয়াস হোসাইন বলে- ওবায়দুল কাদেরকে ভারত সীমান্তে নিয়ে যেতে নাকি আর্মি চিফ জেনারেল ওয়াকার আমার গাড়ি ব্যবহার করেছে! একটা লোক কত বড় ননসেন্স এবং গবেট হলে এটা চিন্তা করতে পারে যে একটা দেশের সেনাপ্রধানের কোনো একটা কাজের জন্য আমার গাড়ির প্রয়োজন হতে পারে! তাও আবার ওবায়দুল কাদেরকে সীমান্ত পার করার জন্য! ন্যূনতম কমনসেন্স থাকলে এইটুকু ভাবতে পারতো যে ওবায়দুল কাদের যদি পালাতে চায় তাইলে বাংলাদেশের যে পাঁচটা লোকের সাথে ভুলেও যোগাযোগ করার সাহস করবে না তার মধ্যে সারজিস একজন। হাসিনা কিংবা ওবায়দুল কাদেররা ফিরে আসলে দশটা লোকের উপর প্রথম প্রতিশোধ নিলে তার মধ্যে সারজিস অটোচয়েজ। আর ওবায়দুল কাদেরকে নাকি আমি সীমান্ত পার করেছি! একটা লোক কতটা উন্মাদ হলে এই ধরনের কথা ভাবতে পারে!’

তিনি আরও চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, ‘তো গবেট অ্যাক্টিভিস্ট, যদি আমি সীমান্ত পার করে থাকি তাহলে কবে করলাম, কোন গাড়িতে করলাম, আমি ছিলাম কিনা, তখন আমার লোকেশন কোথায় ছিল, আমার সাথে জেনারেল ওয়াকারের কিভাবে যোগাযোগ হল, ওবায়দুল কাদেরের কিভাবে যোগাযোগ হল, এসব সংক্রান্ত একটা এভিডেন্স দেখান। না হলে জুতার মালা গলায় দিয়ে অ্যাক্টিভিজম নামক ধান্দাবাজি বন্ধ করে দেওয়া উচিত।’

তৃতীয় ঘটনায় সারজিস আলম দাবি করেন, ‘গতকালকে এই বুলশিট ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছে আমি নাকি কোন কনফিডেন্স গ্রুপের থেকে ২০ কোটি টাকা নিয়েছি। অথচ এই নাম আমি গতকালকে তার পোষ্টের মাধ্যমে প্রথম জানতে পারলাম। আপনি এবং আপনার চৌদ্দ পুরুষ একসাথে মিলে কনফিডেন্স গ্রুপের কারো থেকে টাকা নেওয়া তো দূরের কথা বিগত দুই বছরে কোনদিন দেখা করা, কথা বলা কিংবা টাকার আলাপ করার কোন এভিডেন্স যদি দিতে পারেন তাহলে রাজনীতি ছেড়ে দিব। আর না হলে মুখে চুনকালি মেখে আপনি এই বস্তিমার্কা বাটপারির একটিভিজম ছেড়ে দেন।’

আরেকটি অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি লেখেন, ‘ইলিয়াস হোসেনের বাংলা এডিশন চ্যানেলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে একটা ভিডিও ছাড়া হয়েছে। যেখানে বিগত দুই বছরের এক লাইন দুই লাইন করে কথা কেটে কারো এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নেগেটিভ ফ্রেমিং করা হয়েছে।’

শোডাউন ও ব্যক্তিগত জীবনযাপন নিয়ে অভিযোগের জবাবে তিনি বলেন, ‘এই ইলিয়াস বলে আমি একবার শতাধিক গাড়ি শোডাউন দিয়েছিলাম। কিন্তু এরপর পুরো নির্বাচন জুড়ে বিএনপি জামায়াত থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা যে হাজার হাজার গাড়ি নিয়ে শোডাউন দিলো সেগুলো নিয়ে ইলিয়াসদের মাথাব্যথা নাই। আবার তার ব্যক্তি উদ্দেশ্য সার্ভ করা বাংলা এডিশন চ্যানেল বলে- আমি নাকি দামী ব্র্যান্ডের ঘড়ি পড়ে বিতর্কিত হয়েছি! অথচ বিগত দুই বছরে আমি ১০ দিনও সম্ভবত ঘড়ি পড়ি নাই! এবং যেটা পড়েছি সেটার দাম ৩ হাজার টাকাও না। যেটা নিউমার্কেট থেকে কেনা।’

তিনি আরও বলেন, ‘তো ইলিয়াস হোসাইন কিংবা তার ব্যক্তিগত প্রোপাগান্ডা নিউজ চ্যানেল বাংলা এডিশন যদি দামি ঘড়ির দাম উন্মোচন করে তাহলে তার অভিযোগ মেনে নিব। অন্যথায় ন্যূনতম লজ্জা থাকলে এসব ছ্যাচরামির দোকান যেন বন্ধ করে দেয়।’

সবশেষে সারজিস আলম অভিযোগ করেন, ‘ইলিয়াস হোসাইন হয়তো জানে না যে, সে এভাবে মিথ্যা প্রোপাগান্ডা ছড়িয়ে অনেক ব্যক্তি কিংবা প্রতিষ্ঠানকে জিম্মি করে লক্ষ লক্ষ টাকা অনলাইন চাঁদাবাজি করে পার পেয়ে যেতে পারে; কিন্তু ওই সুযোগ আমরা দিব না। উপরে উপরে দেশপ্রেমিক, ইসলামপন্থী আর বিশাল গোয়েন্দা অ্যাক্টিভিস্ট সেজে ভিতরে ভিতরে কিসের বিনিময়ে, কার উদ্দেশ্য এই ইলিয়াসরা বাস্তবায়ন করতে চায় সেটা খুব দ্রুত বের হয়ে আসবে। শুধু সময়ের অপেক্ষা।’