ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের সদরপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা: পারিবারিক কলহকে কারণ হিসেবে সন্দেহ

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ফারজানা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গত শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের লোহারটেক গ্রামের ফকিরবাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মৃত ফারজানা আক্তার একই গ্রামের মো. ফজল ফকিরের মেয়ে এবং তার স্বামী জুবায়ের হোসেন বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে ফারজানা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে কোনো এক সময় তিনি তার বাবার বাড়ির চৌচালা টিনের ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। ওই সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তার চাচি মিলি বেগম ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি আশপাশের লোকজনকে ডাকেন।

পরে প্রতিবেশীরা এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফারজানাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাকে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাসেল মিয়া জানান, সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজবাড়ীতে আলুভর্তি ট্রাক উল্টে চালকের মর্মান্তিক মৃত্যু

ফরিদপুরের সদরপুরে গৃহবধূর আত্মহত্যা: পারিবারিক কলহকে কারণ হিসেবে সন্দেহ

আপডেট সময় : ০২:১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলায় ফারজানা আক্তার (১৯) নামের এক গৃহবধূ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। গত শনিবার (১৪ মার্চ) রাতে উপজেলার চর বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের লোহারটেক গ্রামের ফকিরবাড়িতে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। মৃত ফারজানা আক্তার একই গ্রামের মো. ফজল ফকিরের মেয়ে এবং তার স্বামী জুবায়ের হোসেন বর্তমানে প্রবাসে রয়েছেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বেশ কিছুদিন ধরে পারিবারিক কলহের জেরে ফারজানা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত ছিলেন। শনিবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৭টা থেকে ৮টার মধ্যে কোনো এক সময় তিনি তার বাবার বাড়ির চৌচালা টিনের ঘরের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেন। ওই সময় ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় তার চাচি মিলি বেগম ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি আশপাশের লোকজনকে ডাকেন।

পরে প্রতিবেশীরা এসে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে ফারজানাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। দ্রুত তাকে চরভদ্রাসন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

সদরপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রাসেল মিয়া জানান, সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করা হয়েছে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে তিনি নিশ্চিত করেন।