আড়াইহাজার উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরী গৃহবধূর গায়ে গরম পানি ঢেলে হত্যার চেষ্টা চালানোর অভিযোগ উঠেছে তার স্বামী ও শাশুড়ির বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগীর বাবা এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকাল সাড়ে ৬টার দিকে আড়াইহাজার উপজেলার গোপালদী পৌরসভার নগর ডৌকাদি গ্রামে। এ ঘটনায় শুক্রবার দুপুরে আড়াইহাজার থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলার পরপরই পুলিশ স্বামী মাহবুবকে আটক করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, রান্নাঘরে কাজ করার সময় স্বামী মাহবুব আলম (২২) ও শাশুড়ি নাছিমা বেগম (৫০) মিলে কিশোরী উর্মি আক্তারের গায়ে গরম পানি ঢেলে দেন।
ভুক্তভোগীর বাবা মো. হাসান আলী জানান, প্রায় দুই বছর আগে প্রেমের সম্পর্কের মাধ্যমে তার মেয়ের সঙ্গে মাহবুব আলমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী ও শাশুড়ি ২ লাখ টাকা ও স্বর্ণালংকার যৌতুকের দাবিতে তার মেয়েকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলেন। আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে ওই যৌতুক দিতে না পারায় বিভিন্ন সময়ে মারধর করা হতো বলেও তিনি অভিযোগ করেন।
ঘটনার সময় মেয়ের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করেন। পরে মুঠোফোনে খবর পেয়ে ভুক্তভোগীর বাবা-মা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েকে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে আসেন। তার পিঠের অর্ধেক অংশ এবং বাম হাতের অর্ধেক পুড়ে যায়।
আড়াইহাজার থানার ওসি (তদন্ত) রিপন কুমার বলেন, এ ঘটনায় দায়ের করা অভিযোগটি মামলা হিসেবে রুজু করা হয়েছে এবং স্বামীকে আটক করা হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 























