অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিএনপি সরকার জনগণের প্রতি তাদের দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছে এবং জনগণের জন্যই তারা কাজ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, সীমিত অর্থনৈতিক সক্ষমতা সত্ত্বেও তারা এই বিশাল প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়েছে, যা প্রমাণ করে যে সঠিক রাজনৈতিক উদ্দেশ্য ও শক্তিশালী নেতৃত্বের মাধ্যমে যেকোনো প্রকল্প দ্রুত সময়ে সম্পন্ন করা সম্ভব। বিএনপিই প্রথম সরকার যারা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি এক মাসের মধ্যেই শুরু ও বাস্তবায়ন করেছে।
মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বিমানবন্দর উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এই অনুষ্ঠানে নগরের ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের ৫ হাজার ৭৭৫ টি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হয়।
অর্থমন্ত্রী বলেন, জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি এবং ভালো কাজ করার অঙ্গীকার পূরণ করতে পারলেই সরকারের সফলতা আসবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুফল এখন জনগণের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। চট্টগ্রামে ইতিমধ্যেই ৫ হাজার ৭৭৫ টি পরিবারে এই অর্থ জমা হয়ে গেছে, যার জন্য তাদের কারো কাছে যেতে হয়নি বা কোনো জটিলতার সম্মুখীন হতে হয়নি। সরকার নিজ উদ্যোগে এই ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে যোগ্য সুবিধাভোগী এবং হতদরিদ্রদের চিহ্নিত করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচিতে দলীয়করণের কোনো সুযোগ ছিল না। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটিই প্রথম প্রকল্প যেখানে সরকারি কর্মকর্তারা সার্ভের মাধ্যমে যোগ্য সুবিধাভোগী নির্ধারণ করেছেন এবং কোনো দলীয় নেতাকর্মী এই প্রকল্পের সাথে সম্পৃক্ত ছিল না। স্বচ্ছতা নিশ্চিত করেই এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে, যা বিএনপি সরকারের জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতারই প্রমাণ।
মন্ত্রী জানান, তারেক রহমানের লক্ষ্য একটি স্বচ্ছ সরকার জনগণকে উপহার দেওয়া এবং বিএনপি স্বচ্ছতা প্রতিষ্ঠায় বিশ্বাসী। তিনি আশ্বস্ত করেন যে, ভবিষ্যতে হতদরিদ্রদের জন্য যত প্রকল্প আসবে, সেগুলো স্বচ্ছতার সাথে এবং কোনো দলীয়করণ ছাড়াই বাস্তবায়ন করা হবে, যাতে মানুষ সরাসরি সেগুলোর সুফল পেতে পারে।
নিজের কর্মজীবনের নানা অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, কর্মজীবনে তিনি অনেক প্রকল্প ও কাজ করেছেন, কিন্তু আজকের ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির মতো অনুভূতি তিনি আর কখনো পাননি।
রিপোর্টারের নাম 






















