ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ফ্যামিলি কার্ডে রাজনীতিকরণের অভিযোগ অস্বীকার, স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি পার্বত্য মন্ত্রীর

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো প্রকার রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এই ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য এই বিশেষ কর্মসূচিটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ১ হাজার ৯৭টি পরিবার এই কার্ডের আওতায় এসেছে। প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা পাবে, যা তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি প্রদান করা হবে। এর ফলে তারা ঘরে বসেই এই আর্থিক সুবিধা লাভ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি, স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি’ এবং ‘পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা ফ্যামিলি কার্ডেই মূল ভরসা’ – এই শ্লোগানগুলোকে প্রতিপাদ্য করে মন্ত্রী প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগনের সেবা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তাই এমন কোনো কাজ করা উচিত নয় যা দল বা সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির সভাপতিত্বে এবং সহকারি তথ্য অফিসার মোহাম্মদ রাসেদুল হকের সঞ্চালনায় এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, সমাজসেবা দপ্তরের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরী, নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেন। এছাড়াও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, আলীকদম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের পক্ষ থেকে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন একজন সুবিধাভোগী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী

ফ্যামিলি কার্ডে রাজনীতিকরণের অভিযোগ অস্বীকার, স্বচ্ছতার প্রতিশ্রুতি পার্বত্য মন্ত্রীর

আপডেট সময় : ০২:৫১:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির সুবিধাভোগী নির্বাচনে কোনো প্রকার রাজনীতিকরণ বা দলীয়করণ করা হয়নি। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, সম্পূর্ণ স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই কর্মসূচির সুবিধাভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বান্দরবান জেলার লামা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ফ্যামিলি কার্ড পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। তিনি জানান, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী এই ফ্যামিলি কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। হতদরিদ্র পরিবারের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং নারীদের অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে দেশের নারীপ্রধান পরিবারগুলোর জন্য এই বিশেষ কর্মসূচিটি পরীক্ষামূলকভাবে চালু করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, কর্মসূচির প্রথম পর্যায়ে লামা উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের ১ হাজার ৯৭টি পরিবার এই কার্ডের আওতায় এসেছে। প্রতিটি পরিবার প্রতি মাসে আড়াই হাজার টাকা করে ভাতা পাবে, যা তাদের পছন্দ অনুযায়ী মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে সরাসরি প্রদান করা হবে। এর ফলে তারা ঘরে বসেই এই আর্থিক সুবিধা লাভ করতে পারবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘ফ্যামিলি কার্ড উন্নয়নের সিঁড়ি, স্বাবলম্বী হবে এবার প্রতিটি বাড়ি’ এবং ‘পরিবারের সুরক্ষা ও আত্মমর্যাদা ফ্যামিলি কার্ডেই মূল ভরসা’ – এই শ্লোগানগুলোকে প্রতিপাদ্য করে মন্ত্রী প্রশাসন ও দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, জনগনের সেবা করাই তাদের মূল লক্ষ্য। তাই এমন কোনো কাজ করা উচিত নয় যা দল বা সরকারের সুনাম ক্ষুণ্ণ করে।

বান্দরবান জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনির সভাপতিত্বে এবং সহকারি তথ্য অফিসার মোহাম্মদ রাসেদুল হকের সঞ্চালনায় এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ৩০০ নং আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, সমাজসেবা দপ্তরের উপ-পরিচালক মিল্টন মুহুরী, নির্বাহী অফিসার মো. মঈন উদ্দিন এবং পৌরসভার সাবেক মেয়র মো. আমির হোসেন। এছাড়াও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান থোয়াইনু অং চৌধুরী, আলীকদম উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কালামসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপকারভোগীদের পক্ষ থেকে অনুভূতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন একজন সুবিধাভোগী।