ঢাকা ০৫:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ভোলা-চরফ্যাশন সড়কে বাস-সিএনজি চলাচল স্বাভাবিক, শ্রমিকদের মধ্যে সমঝোতা

ভোলায় বাস ও সিএনজি স্টেশন নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বাস শ্রমিক ও সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা বাস ও সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকার পর পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। এই ঘটনাটি গত সোমবার (৯ মার্চ) ঘটেছিল।

বাস শ্রমিক ইউনিয়ন ভোলা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান জানান, চরফ্যাশন থেকে বাস ও সিএনজি ছাড়ার স্থান নিয়ে উভয় পক্ষের শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সোমবার দুপুরে চরফ্যাশনের ডাইরেক্ট বাস কাউন্টারে এই নিয়ে সিএনজি চালক ও বাস শ্রমিকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সিএনজি চালকরা বাস কাউন্টারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং পাঁচজন বাস শ্রমিককে আহত করে। এই ঘটনার বিচার দাবিতে শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।

অন্যদিকে, সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মাকসুদুর রহমান হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বাস শ্রমিকরা ভোলা-চরফ্যাশন সড়কে সিএনজি চলাচল করতে বাধা দিচ্ছিল, যার ফলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্থাপনের মাধ্যমে বর্তমানে বাস ও সিএনজি চলাচল স্বাভাবিকভাবে চলছে।

এই বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বাস শ্রমিক ও সিএনজি চালকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে বাস শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করলে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা প্রমাণ করেছে বিএনপি সরকার: অর্থমন্ত্রী

ভোলা-চরফ্যাশন সড়কে বাস-সিএনজি চলাচল স্বাভাবিক, শ্রমিকদের মধ্যে সমঝোতা

আপডেট সময় : ০২:৫১:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

ভোলায় বাস ও সিএনজি স্টেশন নির্ধারণকে কেন্দ্র করে বাস শ্রমিক ও সিএনজি শ্রমিকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনার পর প্রায় এক ঘণ্টা বাস ও সিএনজি চলাচল বন্ধ থাকার পর পুনরায় স্বাভাবিক হয়েছে। এই ঘটনাটি গত সোমবার (৯ মার্চ) ঘটেছিল।

বাস শ্রমিক ইউনিয়ন ভোলা জেলা সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মান্নান জানান, চরফ্যাশন থেকে বাস ও সিএনজি ছাড়ার স্থান নিয়ে উভয় পক্ষের শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। সোমবার দুপুরে চরফ্যাশনের ডাইরেক্ট বাস কাউন্টারে এই নিয়ে সিএনজি চালক ও বাস শ্রমিকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে সিএনজি চালকরা বাস কাউন্টারে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে এবং পাঁচজন বাস শ্রমিককে আহত করে। এই ঘটনার বিচার দাবিতে শ্রমিকরা বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়।

অন্যদিকে, সিএনজি মালিক সমিতির সভাপতি মাকসুদুর রহমান হামলার ঘটনা অস্বীকার করে বলেন, বাস শ্রমিকরা ভোলা-চরফ্যাশন সড়কে সিএনজি চলাচল করতে বাধা দিচ্ছিল, যার ফলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্থাপনের মাধ্যমে বর্তমানে বাস ও সিএনজি চলাচল স্বাভাবিকভাবে চলছে।

এই বিষয়ে ভোলা সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. মনিরুল ইসলাম জানান, বাস শ্রমিক ও সিএনজি চালকদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে বাস শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করলে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।