প্রধানমন্ত্রী দেশে জাকাত ব্যবস্থাপনাকে কীভাবে আরও কার্যকর ও সুশৃঙ্খল করা যায়, সেই সম্ভাবনা খুঁজে বের করার জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে জাকাত ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক বৈঠকে তিনি এই নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
বৈঠকের কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, বৈঠকে কার্যকর জাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কীভাবে দেশের দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব, সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও, বৈঠকে জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনেরও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদকে প্রধান করে, বায়তুল মোকাররম মসজিদের খতিব আল্লামা মুফতি আবদুল মালেক, আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ এবং দেশের শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন ইসলামী অর্থনীতিবিদ ও বিশিষ্ট আলেম-ওলামাদের সমন্বয়ে একটি কমিটি গঠনের সুপারিশ করা হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি আরও জানান, পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে কারা থাকবেন, সেই বিষয়ে আগামী দশদিনের মধ্যে ধর্ম মন্ত্রণালয় তাদের নাম প্রস্তাব করবে। জাকাত ব্যবস্থাপনা ও জাকাত বোর্ড পুনর্গঠনের বিষয়ে এই কমিটি শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের সুপারিশ পেশ করবে। গত শনিবার (৭ মার্চ) আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেছিলেন যে, সুষ্ঠু জাকাত ব্যবস্থাপনা আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে দেশের দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে আজকের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। বৈঠকে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসাইন কায়কোবাদ, ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ এবং আস সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন।
রিপোর্টারের নাম 





















