ঢাকা ১১:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬

স্বাধীনতা পুরস্কারের নিয়মে পরিবর্তন: একই ব্যক্তিকে পঁচিশ বছর পর পুনরায় সম্মাননার সুযোগ

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারের নির্দেশনাবলিতে সংশোধনী এনেছে সরকার। এখন থেকে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পঁচিশ বছর পর ভিন্ন কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো এই সম্মাননা পেতে পারবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক সংশোধিত এই নিয়ম রোববার (৮ মার্চ) এক আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে।

এই সংশোধনী আনা হয়েছে মূলত ডা. মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকায় তার নাম আসার পর জানা যায়, তিনি ১৯৭৭ সালেও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। সাধারণত একই ব্যক্তিকে দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয় না, এই প্রথা ভাঙতেই নতুন নিয়ম প্রণয়ন করা হলো।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার বা অন্য কোনো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার দেওয়ার জন্য বিবেচনা করা হবে না। তবে শর্ত হলো, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার পাওয়ার পর অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখলে অন্যূন পঁচিশ বছর পর ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া যাবে।’

গত ৫ মার্চ ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে সরকার। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষা ও দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকেও (মরণোত্তর) সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অবৈধ বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠাতে ঢাকার সহযোগিতা চাইল ভারত

স্বাধীনতা পুরস্কারের নিয়মে পরিবর্তন: একই ব্যক্তিকে পঁচিশ বছর পর পুনরায় সম্মাননার সুযোগ

আপডেট সময় : ০৬:২৭:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান স্বাধীনতা পুরস্কারের নির্দেশনাবলিতে সংশোধনী এনেছে সরকার। এখন থেকে একজন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান পঁচিশ বছর পর ভিন্ন কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য দ্বিতীয়বারের মতো এই সম্মাননা পেতে পারবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ কর্তৃক সংশোধিত এই নিয়ম রোববার (৮ মার্চ) এক আদেশের মাধ্যমে কার্যকর করা হয়েছে।

এই সংশোধনী আনা হয়েছে মূলত ডা. মো. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হওয়ার প্রেক্ষাপটে। সম্প্রতি ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের তালিকায় তার নাম আসার পর জানা যায়, তিনি ১৯৭৭ সালেও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কার পেয়েছিলেন। সাধারণত একই ব্যক্তিকে দুবার স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হয় না, এই প্রথা ভাঙতেই নতুন নিয়ম প্রণয়ন করা হলো।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের আদেশে বলা হয়েছে, ‘স্বাধীনতা পুরস্কার পাওয়া কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার বা অন্য কোনো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার দেওয়ার জন্য বিবেচনা করা হবে না। তবে শর্ত হলো, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার পাওয়ার পর অন্য কোনো ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখলে অন্যূন পঁচিশ বছর পর ওই ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে পুনরায় স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া যাবে।’

গত ৫ মার্চ ২০২৬ সালের স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠানকে মনোনীত করার সিদ্ধান্ত ঘোষণা করে সরকার। জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে (মরণোত্তর) স্বাধীনতা, গণতন্ত্র, নারীশিক্ষা ও দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। এছাড়া, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীকেও (মরণোত্তর) সমাজসেবায় বিশেষ অবদানের জন্য এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই পুরস্কার প্রদান করে আসছে।