ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ইমিসহ তিনজনের জেল হেফাজত

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারকৃত স্লোগান ’৭১-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার অপর দুই আসামি হলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং সংগঠনটির নেতা আব্দুল আল মামুন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালতের বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শনিবার দুপুর তিনটার দিকে শাহবাগ থানার শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজাচ্ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করা হয়। পরে রাতে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে আরও ১০-১৫ জন ব্যক্তি জড়ো হন। তারা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউড স্পিকারে উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সচল করার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং আটক আসিফ আহমেদ সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান। এ সময় একদল শিক্ষার্থী আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মোজতবা খামেনির প্রতি ইরানের প্রেসিডেন্ট ও সামরিক বাহিনীর পূর্ণ আনুগত্য

সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেপ্তার ইমিসহ তিনজনের জেল হেফাজত

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনের অধীনে দায়ের করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারকৃত স্লোগান ’৭১-এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ তিনজনকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত। রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানার আদালত এই আদেশ প্রদান করেন।

মামলার অপর দুই আসামি হলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল শাখার সাবেক কর্মসংস্থান সম্পাদক মো. আসিফ আহমেদ সৈকত এবং সংগঠনটির নেতা আব্দুল আল মামুন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মো. আশাদুল ইসলাম আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন। আদালতের বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করে তাদের জেল হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, শনিবার দুপুর তিনটার দিকে শাহবাগ থানার শহীদুল্লাহ হল ক্রসিং এলাকায় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কিছু সদস্য মাইকে ৭ মার্চের ভাষণ বাজাচ্ছিল। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসিফ আহমেদ সৈকতকে আটক করা হয়। পরে রাতে জাতীয় জাদুঘরের সামনে আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমির নেতৃত্বে আরও ১০-১৫ জন ব্যক্তি জড়ো হন। তারা মসজিদের দিকে মুখ করে লাউড স্পিকারে উসকানিমূলক স্লোগান দেন এবং সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্রের উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম সচল করার চেষ্টা করেন। পুলিশ তাদের বাধা দিলে তারা পুলিশের কাজে বাধা দেন এবং আটক আসিফ আহমেদ সৈকতকে ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালান। এ সময় একদল শিক্ষার্থী আব্দুল আল মামুন ও শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। এই ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলাটি দায়ের করে।