ঢাকা ১০:১৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষকতায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করার নতুন উদ্যোগ

প্রাথমিক শিক্ষাকে দেশ গড়ার মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, এই খাতের শিক্ষকদের পেশাকে আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সরকার বিশেষ গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে মেধাবী শিক্ষার্থীরাও এই পেশায় আসতে আগ্রহী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত একটি সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে তা একটি লোভনীয় পেশা হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষার দক্ষতাও বৃদ্ধি করতে পারছে।

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলে কোনো বিভেদ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেকোনো বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রবিউল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল হোড় এবং মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি: যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যা

প্রাথমিক শিক্ষকতায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করার নতুন উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৮:৩৩:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

প্রাথমিক শিক্ষাকে দেশ গড়ার মূল ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, এই খাতের শিক্ষকদের পেশাকে আরও সম্মানজনক ও আকর্ষণীয় করে তুলতে সরকার বিশেষ গুরুত্বারোপ করছে। এর ফলে মেধাবী শিক্ষার্থীরাও এই পেশায় আসতে আগ্রহী হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

শনিবার টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত একটি সম্মাননা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরিকে এমনভাবে গড়ে তোলা হবে যাতে তা একটি লোভনীয় পেশা হিসেবে বিবেচিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, মন্দিরভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম তৃণমূল পর্যায়ে নৈতিকতা, মানবিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধ তৈরিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা নিজেদের শিক্ষার দক্ষতাও বৃদ্ধি করতে পারছে।

দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির জন্য ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে সংখ্যাগুরু বা সংখ্যালঘু বলে কোনো বিভেদ নেই, আমরা সবাই বাংলাদেশি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের যেকোনো বিষয়ে সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে বলেও তিনি আশ্বাস দেন।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) সঞ্জয় কুমার মহন্ত, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) রবিউল ইসলাম, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি শ্যামল হোড় এবং মন্দির ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রমের প্রকল্প পরিচালক রমেশ চন্দ্র সরকার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী শ্রেষ্ঠ শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।