সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলায় রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের বিবাদ মীমাংসার জন্য ডাকা সালিশি বৈঠক রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। এই সংঘর্ষের জেরে ছুরিকাঘাতে সামাদ আহমদ (২২) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পুলিশ ইতোমধ্যে ছয়জনকে আটক করেছে।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার উসমানপুর ইউনিয়নের সিকন্দরপুর গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহত সামাদ আহমদ একই গ্রামের আব্দুল খালিকের ছেলে।
জানা গেছে, গ্রামের রহিম উল্লাহর ছেলে আব্দুস সত্তার এবং আব্দুল জব্বারের মধ্যে চলাচলের রাস্তা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এই বিবাদ নিষ্পত্তি করার উদ্দেশ্যে শুক্রবার সন্ধ্যায় ওই গ্রামের একটি সালিশি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠক চলাকালীন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় শুরু হয় এবং এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। অভিযোগ রয়েছে, প্রতিপক্ষের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে সামাদ আহমদ গুরুতর আহত হন। তাৎক্ষণিকভাবে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
খবর পেয়ে ওসমানীনগর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ছয়জনকে আটক করা হয়েছে। নিহত সামাদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসমানীনগর থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুরসেদুল আলম ভূইয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “রাস্তা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চলা বিরোধের জের ধরে সালিশি বৈঠকে এক যুবক নিহত হয়েছেন। আমরা ছয়জনকে আটক করেছি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
—
রিপোর্টারের নাম 






















