ঢাকা ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মাঝে নেতানিয়াহু-নাহিয়ানের বিরল ফোনালাপ

ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক বিরল ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ইরানের ওপর ইসরাইলি হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই নেতার এই আলাপচারিতাকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ফোনালাপকে অত্যন্ত ‘অস্বাভাবিক’ বা ‘বিরল’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপিত হলেও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট সাধারণত নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপে যুক্ত হন না। তবে বর্তমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট সেই সমীকরণ বদলে দিয়েছে।

মূলত গত সপ্তাহে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও তাদের মিত্র দেশগুলো তেহরানের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা রয়েছে, যা এই উত্তেজনার মধ্যে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে দুই শীর্ষ নেতার এই ফোনালাপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রচেষ্টার অংশ বলেই ধারণা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিভি পর্দায় ফুটবলের জমজমাট দিন: নারী এশিয়ান কাপের উত্তাপ, ইউরোপের মহারণ

মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার মাঝে নেতানিয়াহু-নাহিয়ানের বিরল ফোনালাপ

আপডেট সময় : ০৫:৩৮:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ মার্চ ২০২৬

ইসরাইল ও ইরানের মধ্যে চলমান সংঘাতের ফলে সৃষ্ট চরম উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রেসিডেন্ট শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান ও ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে এক বিরল ফোনালাপ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্প্রতি ইরানের ওপর ইসরাইলি হামলার পর উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দুই নেতার এই আলাপচারিতাকে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

ইসরাইলি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই ফোনালাপকে অত্যন্ত ‘অস্বাভাবিক’ বা ‘বিরল’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। কূটনৈতিক সূত্রগুলো বলছে, ২০২০ সালে দুই দেশের মধ্যে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপিত হলেও আমিরাতের প্রেসিডেন্ট সাধারণত নেতানিয়াহুর সঙ্গে সরাসরি ফোনালাপে যুক্ত হন না। তবে বর্তমান আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট সেই সমীকরণ বদলে দিয়েছে।

মূলত গত সপ্তাহে ইরান ও ইসরাইলের মধ্যে প্রত্যক্ষ সামরিক সংঘাত শুরুর পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অস্থিরতা বিরাজ করছে। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ পদক্ষেপের প্রতিক্রিয়ায় ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন সামরিক অবকাঠামো ও তাদের মিত্র দেশগুলো তেহরানের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে। উল্লেখ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাতেও যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা রয়েছে, যা এই উত্তেজনার মধ্যে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এমন এক সংকটময় মুহূর্তে দুই শীর্ষ নেতার এই ফোনালাপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষার প্রচেষ্টার অংশ বলেই ধারণা করা হচ্ছে।