সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় এক ব্যবসায়ীকে আটকে রেখে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। চাঁদা আদায়ে ব্যর্থ হয়ে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে অভিযোগ। ঘটনার প্রতিবাদে ও অভিযুক্ত নেতার গ্রেপ্তারের দাবিতে শুক্রবার বিকেলে বাদাঘাট বাজারে স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা মানববন্ধন করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত আনুমানিক আটটার দিকে বাদাঘাট ইউনিয়নের বাদাঘাট বাজার এলাকায় ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংক শাখার স্বত্বাধিকারী দেলোয়ার হোসেনকে তার পথরোধ করে বিশ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। অভিযুক্ত আওয়ামী লীগ নেতা আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে এই চাঁদা দাবি করা হয় বলে অভিযোগ। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে দেলোয়ার হোসেনকে তুলে নিয়ে নির্মম নির্যাতন চালানো হয়।
এই খবর ছড়িয়ে পড়লে বাদাঘাট বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল শিকদার এবং বড়দল উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আফতাব উদ্দিনের বাড়ি থেকে দেলোয়ার হোসেনকে উদ্ধার করেন। প্রাথমিকভাবে তাকে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছিল। তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় বর্তমানে তিনি সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং অবিলম্বে অভিযুক্ত আফতাব উদ্দিনের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, দ্রুততম সময়ে ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার না হলে ব্যবসায়ীরা বৃহত্তর আন্দোলনের ডাক দিতে বাধ্য হবেন।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বাদাঘাট বাজার বণিক সমিতির সভাপতি নজরুল ইসলাম শিকদার, সমাজকর্মী ও লেখক আবুল হোসেন এবং তাহিরপুর উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম। এ সময় বড়ছড়া কয়লা আমদানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সবুজ আলম, বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আবুল কালাম আজাদসহ বাজারের অসংখ্য ব্যবসায়ী উপস্থিত ছিলেন।
—
রিপোর্টারের নাম 

























