মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০২:৪৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

ঢাবিতে ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: শহীদদের ত্যাগের স্বীকৃতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতি চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামক স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডাকসু নেতৃবৃন্দ এবং অর্ধশতাধিক শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, এই স্মৃতিস্তম্ভটি কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি হবে আত্মত্যাগ, সাহস এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিরন্তন প্রতীক। চব্বিশের বিপ্লবে সাধারণ ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে দেশের যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে নতুন জীবন দিয়েছে, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যরা আবেগঘন কণ্ঠে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা জানান, এই স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত ইতিহাস এবং শহীদদের বীরত্বগাথা সম্পর্কে জানতে পারবে। বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় ডাকসুর এই পদক্ষেপকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চাঁদপুরে ১১ দলীয় জোটের গণমিছিল: জুলাই সনদ ও গণভোটের দাবি

ঢাবিতে ‘নির্ভীক জুলাই’ স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: শহীদদের ত্যাগের স্বীকৃতি

আপডেট সময় : ০১:৪২:৫৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আত্মোৎসর্গকারী শহীদদের স্মৃতি চিরস্থায়ী করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘নির্ভীক জুলাই’ নামক স্মৃতিস্তম্ভের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে। বুধবার (৫ আগস্ট) রাতে ডাকসু ভবনের সামনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ডাকসু নেতৃবৃন্দ এবং অর্ধশতাধিক শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্মাণকাজের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। ডাকসুর ভিপি সাদিক কায়েম বলেন, এই স্মৃতিস্তম্ভটি কেবল একটি স্থাপনা নয়, এটি হবে আত্মত্যাগ, সাহস এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের চিরন্তন প্রতীক। চব্বিশের বিপ্লবে সাধারণ ছাত্র-জনতা বুকের রক্ত দিয়ে দেশের যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে নতুন জীবন দিয়েছে, সেই দায়বদ্ধতা থেকেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শহীদ পরিবারের সদস্যরা আবেগঘন কণ্ঠে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তারা জানান, এই স্মৃতিস্তম্ভের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জুলাই বিপ্লবের প্রকৃত ইতিহাস এবং শহীদদের বীরত্বগাথা সম্পর্কে জানতে পারবে। বর্তমান গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে শহীদদের মর্যাদা রক্ষায় ডাকসুর এই পদক্ষেপকে একটি ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে দেখছেন শিক্ষার্থীরা।