মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৬ অগাস্ট ২০২৬

জাজিরায় জুলাই বিপ্লব দিবসের কর্মসূচিতে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, সাংবাদিক লাঞ্ছিত

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০২:৪৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

শরীয়তপুরের জাজিরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাজিরা উপজেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এ সময় সংবাদের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন বিজয় টিভির স্থানীয় প্রতিনিধি জুয়েল মিয়া। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি রক্ষার্থে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী মডেল মসজিদ এলাকায় আলোচনা সভা ও গণমিছিলের আয়োজন করে। একই সময়ে কাছাকাছি এলাকায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পৃথক কর্মসূচি চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতের কর্মসূচি শুরুর আগমুহূর্তে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এই পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিক জুয়েল মিয়ার ওপর চড়াও হয় হামলাকারীরা এবং তাকে বেধড়ক মারধর করে।

জেলা জামায়াতের আমির মুহা. আব্দুর রব হাসেমী অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। এই হামলার পেছনে স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্বের উসকানি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন। নির্বাচিত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় রাখার স্বার্থে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শরীয়তপুরে জুলাই অভ্যুত্থান দিবসের অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলা, জুলাই যোদ্ধাদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ

জাজিরায় জুলাই বিপ্লব দিবসের কর্মসূচিতে জামায়াত-বিএনপি সংঘর্ষ, সাংবাদিক লাঞ্ছিত

আপডেট সময় : ০২:৪৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ অগাস্ট ২০২৬

শরীয়তপুরের জাজিরায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনকে কেন্দ্র করে জামায়াতে ইসলামী ও বিএনপির নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে জাজিরা উপজেলা মডেল মসজিদ প্রাঙ্গণে এই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এ সময় সংবাদের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বেসরকারি টেলিভিশন বিজয় টিভির স্থানীয় প্রতিনিধি জুয়েল মিয়া। বর্তমানে তিনি গুরুতর আহত অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি রক্ষার্থে উপজেলা জামায়াতে ইসলামী মডেল মসজিদ এলাকায় আলোচনা সভা ও গণমিছিলের আয়োজন করে। একই সময়ে কাছাকাছি এলাকায় বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পৃথক কর্মসূচি চলছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, জামায়াতের কর্মসূচি শুরুর আগমুহূর্তে একদল লোক লাঠিসোঁটা নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। এই পরিস্থিতির ভিডিও ধারণ করতে গেলে সাংবাদিক জুয়েল মিয়ার ওপর চড়াও হয় হামলাকারীরা এবং তাকে বেধড়ক মারধর করে।

জেলা জামায়াতের আমির মুহা. আব্দুর রব হাসেমী অভিযোগ করেন, প্রশাসনের অনুমতি নিয়েই তারা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করছিলেন। এই হামলার পেছনে স্থানীয় বিএনপি নেতৃত্বের উসকানি রয়েছে বলে তিনি দাবি করেন এবং এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানান। তবে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মিলন। নির্বাচিত সরকারের সময়ে রাজনৈতিক সহাবস্থান বজায় রাখার স্বার্থে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।