ঢাকা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ মার্চ ২০২৬

সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিনে মুক্ত: হাইকোর্টের রুল যথাযথ ঘোষণা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিনের বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই রায় দেন। এর ফলে প্রায় তিন মাস কারাভোগের পর তার মুক্তি মিলছে।

আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন প্রখ্যাত আইনজীবী অ্যাডভোকেট তামান্না ফেরদৌস। হাইকোর্টের এই রায়ে গণমাধ্যম পাড়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি ব্যায়ামাগার থেকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এরপর তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হলে ওই দিনই তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়েছিল।

তবে গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় কারাবন্দী ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উপসাগরীয় সংঘাতে নতুন ট্র্যাজেডি: কুয়েতে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের ধ্বংসাবশেষে শিশুর মৃত্যু

সাংবাদিক আনিস আলমগীর জামিনে মুক্ত: হাইকোর্টের রুল যথাযথ ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৩:৫৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা এক মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তার জামিনের বিষয়ে জারি করা রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই রায় দেন। এর ফলে প্রায় তিন মাস কারাভোগের পর তার মুক্তি মিলছে।

আদালতে আনিস আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন প্রখ্যাত আইনজীবী অ্যাডভোকেট তামান্না ফেরদৌস। হাইকোর্টের এই রায়ে গণমাধ্যম পাড়ায় স্বস্তি ফিরে এসেছে।

গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি ব্যায়ামাগার থেকে সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) কার্যালয়ে নেওয়া হয়। এরপর তাকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। ১৫ ডিসেম্বর তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে হাজির করা হলে ওই দিনই তার পক্ষে জামিন আবেদন করা হয়েছিল।

তবে গত ২২ জানুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এরপর থেকে তিনি রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা মামলায় কারাবন্দী ছিলেন।