টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে প্রত্যাশা মেটাতে পারেনি পাকিস্তান। দলের ওপর নেমে এসেছে জরিমানার শাস্তি। এবার শোনা গেলো, টুর্নামেন্ট চলাকালে কোচ মাইক হেসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছিলেন সালমান আগারা!
বুধবার জিও স্পোর্টসের প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, আসর চলাকালীন সময়েই বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে।
ওই খবরে বলা হয়, টুর্নামেন্টের মাঝপথে কয়েকজন খেলোয়াড় পৃথকভাবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের কর্মকর্তাদের কাছে হেসনের আচরণ নিয়ে অভিযোগ জানান।
সেখানে আরও দাবি করা হয়েছে, কোচের কঠোর অবস্থান ও একক সিদ্ধান্ত গ্রহণ ড্রেসিংরুমের পরিবেশে অস্থিরতা তৈরি করেছে। সালমান আলীর দলটি চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারত ও ইংল্যান্ডের কাছে বড় ব্যবধানে হেরে আসর থেকে বিদায় নিয়েছে। তার পর থেকেই তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছে পাকিস্তান।
অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে বলা হয়েছে, অধিনায়কের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। টিম ম্যানেজমেন্টের বিভিন্ন বিষয়ে হেসন ঘন ঘন হস্তক্ষেপ করেছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এছাড়া নির্বাচক প্যানেল ও অধিনায়ক—দু’পক্ষই কোচের কর্তৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করতে হিমশিম খাচ্ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। দলের কার্যক্রমে তিনি ব্যাপক কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছিলেন বলেও দাবি করা হয়েছে।
এদিকে, হেসনের আচরণ পর্যালোচনা শুরু করেছেন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সফরের প্রতিবেদন খতিয়ে দেখার পর তার সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনায় বসার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনও বিবৃতি দেয়নি পিসিবি।
রিপোর্টারের নাম 























