জেরুজালেমে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তাদের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত নিজ নিজ আবাসন বা তার আশেপাশে থাকার নির্দেশ দিয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির উপর শনিবার হামলার পর থেকে ইসরায়েল, প্রতিবেশী উপসাগরীয় দেশগুলো এবং বিশ্বজুড়ে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাস সরবরাহের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে পাল্টা আঘাত হেনেছে তেহরান।
এই হামলার তীব্রতা এবং একটি সুস্পষ্ট প্রস্থান কৌশলের অভাব দীর্ঘমেয়াদী ও সুদূরপ্রসারী সংঘাতের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু কী বা এর চূড়ান্ত পরিণতি কী হতে পারে, সে বিষয়ে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পরস্পরবিরোধী বক্তব্য পাওয়া যাচ্ছে।
অনলাইনে প্রকাশিত এক নিরাপত্তা সতর্কবার্তায় জেরুজালেমের মার্কিন দূতাবাস জানিয়েছে, “এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস ইসরায়েল ত্যাগে আমেরিকানদের সরিয়ে নেওয়া বা সরাসরি সহায়তা করার অবস্থানে নেই।”
দূতাবাস আরও জানিয়েছে যে, ইসরায়েলের পর্যটন মন্ত্রণালয় গতকাল থেকে তাবা সীমান্ত ক্রসিংয়ে শাটল পরিষেবা চালু করেছে। শাটলে যাত্রী তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হতে নাগরিকদের মন্ত্রণালয়ের নির্গমন ফরমের মাধ্যমে নিবন্ধন করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। মিশরের সঙ্গে তাবায় স্থল সীমান্ত ক্রসিংও চালু রয়েছে এবং এটি দিনে ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকার কথা।
দূতাবাস স্পষ্ট করেছে যে, “পর্যটন মন্ত্রণালয়ের শাটল ব্যবহারের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস কোনো সুপারিশ (পক্ষে বা বিপক্ষে) করতে পারে না। আপনি যদি এ উপায়ে ইসরায়েল ত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন, তবে যুক্তরাষ্ট্র সরকার আপনার নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।”
যারা জর্ডানে যেতে ইচ্ছুক, তাদের জন্য দূতাবাস জানিয়েছে যে তারা শাটলে করে এলাত যেতে পারেন এবং সেখান থেকে স্বতন্ত্রভাবে (ট্যাক্সির মাধ্যমে) ইয়িৎসহাক রবিন সীমান্ত ক্রসিংয়ে যেতে পারেন।
রিপোর্টারের নাম 























