ঢাকা ০৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

ড্রোন হামলা ও এলএনজি সংকটে শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস

মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলার পর এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) উৎপাদন স্থগিত হওয়ার আশঙ্কায় ভারতের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। এই তথ্য চারটি সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এলএনজি আমদানিকারক দেশ ভারত তার আমদানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকদের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বিশেষ করে, আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির অন্যতম প্রধান এলএনজি গ্রাহক ভারত এবং কাতারি এলএনজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারকও বটে।

শীর্ষস্থানীয় এলএনজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পেট্রোনেট এলএনজি লিমিটেড, ভারতের অন্যতম প্রধান গ্যাস বিপণনকারী কোম্পানি গেইল (ইন্ডিয়া) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে গ্যাসের সরবরাহ হ্রাসের বিষয়টি অবহিত করেছে। গেইল এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি) সোমবার গভীর রাতে তাদের গ্রাহকদের এই তথ্য জানিয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সরবরাহ কমানোর এই হার ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। কোম্পানিগুলো চুক্তি অনুযায়ী তাদের গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ ঘাটতির কারণে যাতে কোনো জরিমানা গুনতে না হয়, সেই পরিমাণ গ্যাসই আপাতত হ্রাস করেছে।

এই আকস্মিক এলএনজি ঘাটতি পূরণের জন্য, আইওসি, গেইল, পেট্রোনেট এলএনজি-সহ বিভিন্ন কোম্পানি স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস সংগ্রহের জন্য টেন্ডার আহ্বানের পরিকল্পনা করছে। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পট মার্কেট মূল্য, পরিবহন ভাড়া এবং বীমা খরচও যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই ঘাটতি পূরণের প্রক্রিয়াকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শ্রমিকদের বেতন নিশ্চিত করতে বিশেষ ঋণ সুবিধার দ্বার উন্মোচন

ড্রোন হামলা ও এলএনজি সংকটে শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস সরবরাহ হ্রাস

আপডেট সময় : ০৫:৪৬:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ড্রোন হামলার পর এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) উৎপাদন স্থগিত হওয়ার আশঙ্কায় ভারতের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে। এই তথ্য চারটি সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স নিশ্চিত করেছে। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম এলএনজি আমদানিকারক দেশ ভারত তার আমদানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের উৎপাদকদের উপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বিশেষ করে, আবুধাবি ন্যাশনাল অয়েল কোম্পানির অন্যতম প্রধান এলএনজি গ্রাহক ভারত এবং কাতারি এলএনজির দ্বিতীয় বৃহত্তম আমদানিকারকও বটে।

শীর্ষস্থানীয় এলএনজি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান পেট্রোনেট এলএনজি লিমিটেড, ভারতের অন্যতম প্রধান গ্যাস বিপণনকারী কোম্পানি গেইল (ইন্ডিয়া) এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলোকে গ্যাসের সরবরাহ হ্রাসের বিষয়টি অবহিত করেছে। গেইল এবং ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন (আইওসি) সোমবার গভীর রাতে তাদের গ্রাহকদের এই তথ্য জানিয়েছে বলে একটি সূত্র জানিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, সরবরাহ কমানোর এই হার ১০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। কোম্পানিগুলো চুক্তি অনুযায়ী তাদের গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ ঘাটতির কারণে যাতে কোনো জরিমানা গুনতে না হয়, সেই পরিমাণ গ্যাসই আপাতত হ্রাস করেছে।

এই আকস্মিক এলএনজি ঘাটতি পূরণের জন্য, আইওসি, গেইল, পেট্রোনেট এলএনজি-সহ বিভিন্ন কোম্পানি স্পট মার্কেট থেকে গ্যাস সংগ্রহের জন্য টেন্ডার আহ্বানের পরিকল্পনা করছে। তবে, বর্তমান পরিস্থিতিতে স্পট মার্কেট মূল্য, পরিবহন ভাড়া এবং বীমা খরচও যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, যা এই ঘাটতি পূরণের প্রক্রিয়াকে আরও চ্যালেঞ্জিং করে তুলেছে।