মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
ঢাকা ০৯:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬

যশোরে চালডালের কল সেন্টারে তীব্র কর্মী অসন্তোষ: বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ, কর্তৃপক্ষ বলছে তহবিল সংকট

অনলাইন গ্রোসারি প্ল্যাটফর্ম চালডাল ডটকমের যশোর কল সেন্টারে বেতন বকেয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে প্রায় ৬০০ কর্মী তিন মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের মূল ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধে টালবাহানা করছে।

যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ১২ ও ১৪ তলায় চালডালের বিশাল কল সেন্টারটি অবস্থিত। এখানে কর্মরত শারমিন আক্তারসহ একাধিক কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত তিন মাস ধরে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে। দু-একজন আংশিক বেতন পেলেও অধিকাংশ কর্মীই বেতনহীন। তারা আরও জানান, কাজ করেও বেতন না পাওয়ায় বাসাভাড়া পরিশোধ করতে পারছেন না এবং ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ছেন। অথচ বেতন চাইতে গেলেই উল্টো চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের আশঙ্কা, যশোরে চালডালের ওয়্যারহাউজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তবে, কর্মীদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চালডালের উপপরিচালক আজিজুর রহমান জিকো। তিনি জানান, তিন মাস নয়, বরং দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে এবং ডিসেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। জিকো বলেন, “গত এক বছর ধরে আমাদের তহবিল সংকট চলছে। এ কারণে কর্মীদের বেতন সময়মতো দিতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা কোনো কর্মীকে ছাঁটাই করিনি এবং ধীরে ধীরে সবার বেতন পরিশোধ করে দেওয়া হবে।”

এর আগে গত রোববার রাতেও চালডালের কল সেন্টারের কর্মীরা বিক্ষোভ করেন। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, কর্মীদের বেতন ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে আর্থিক সংগতি বৃদ্ধি না পেলে চলমান সংকটের সমাধান হবে না। যেসব কর্মী এই সাময়িক সংকট মেনে নিতে পারছেন না, তারা চাইলে বিকল্প পেশার কথা ভাবতে পারেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জার্মানির নদীগুলো শুকিয়ে যাচ্ছে: পানির স্তর নেমেছে রেকর্ড তলানিতে

যশোরে চালডালের কল সেন্টারে তীব্র কর্মী অসন্তোষ: বকেয়া বেতনের দাবিতে বিক্ষোভ, কর্তৃপক্ষ বলছে তহবিল সংকট

আপডেট সময় : ০৬:০৬:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

অনলাইন গ্রোসারি প্ল্যাটফর্ম চালডাল ডটকমের যশোর কল সেন্টারে বেতন বকেয়াকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গতকাল সোমবার দুপুরে প্রায় ৬০০ কর্মী তিন মাসের বকেয়া বেতনের দাবিতে যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের মূল ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। বিক্ষুব্ধ কর্মীরা অভিযোগ করেছেন, বারবার দাবি জানানো সত্ত্বেও কর্তৃপক্ষ বেতন পরিশোধে টালবাহানা করছে।

যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কের ১২ ও ১৪ তলায় চালডালের বিশাল কল সেন্টারটি অবস্থিত। এখানে কর্মরত শারমিন আক্তারসহ একাধিক কর্মী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, গত তিন মাস ধরে তাদের বেতন বকেয়া রয়েছে। দু-একজন আংশিক বেতন পেলেও অধিকাংশ কর্মীই বেতনহীন। তারা আরও জানান, কাজ করেও বেতন না পাওয়ায় বাসাভাড়া পরিশোধ করতে পারছেন না এবং ঋণের বোঝায় জর্জরিত হয়ে পড়ছেন। অথচ বেতন চাইতে গেলেই উল্টো চাকরিচ্যুতির হুমকি দেওয়া হচ্ছে। কর্মীদের আশঙ্কা, যশোরে চালডালের ওয়্যারহাউজ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

তবে, কর্মীদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চালডালের উপপরিচালক আজিজুর রহমান জিকো। তিনি জানান, তিন মাস নয়, বরং দুই মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে এবং ডিসেম্বর মাসের বেতন পরিশোধ করা হয়েছে। জিকো বলেন, “গত এক বছর ধরে আমাদের তহবিল সংকট চলছে। এ কারণে কর্মীদের বেতন সময়মতো দিতে সমস্যা হচ্ছে। তবে আমরা কোনো কর্মীকে ছাঁটাই করিনি এবং ধীরে ধীরে সবার বেতন পরিশোধ করে দেওয়া হবে।”

এর আগে গত রোববার রাতেও চালডালের কল সেন্টারের কর্মীরা বিক্ষোভ করেন। সে সময় প্রতিষ্ঠানটির একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, কর্মীদের বেতন ধাপে ধাপে পরিশোধ করা হচ্ছে। তবে আর্থিক সংগতি বৃদ্ধি না পেলে চলমান সংকটের সমাধান হবে না। যেসব কর্মী এই সাময়িক সংকট মেনে নিতে পারছেন না, তারা চাইলে বিকল্প পেশার কথা ভাবতে পারেন।