মধ্যপ্রাচ্যের উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান সংঘাতের জেরে বিমান চলাচলে ভয়াবহ অচলাবস্থা দেখা দিয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে, প্রায় তিন লাখ মানুষ ওই অঞ্চলে আটকা পড়েছেন। সংঘাতের প্রথম কয়েক দিনেই সাড়ে তিন হাজারেরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আটকে পড়া যাত্রীদের উদ্ধারে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে যুক্তরাজ্য।
আঞ্চলিক এই অস্থিরতার কারণে উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্তত ছয় থেকে সাতটি বড় বিমানবন্দর তাদের কার্যক্রম স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং তথ্য অনুযায়ী, সংঘাত শুরুর পর প্রথম কয়েক দিনেই ৩,৪০০টিরও বেশি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, শারজাহ, আবু ধাবি এবং দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো প্রধান আঞ্চলিক কেন্দ্রগুলো সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে।
উপসাগরীয় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ আকাশসীমা এখনও বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে এর ব্যাপক প্রভাব পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের বিমানবন্দরগুলো ইউরোপ, এশিয়া, আফ্রিকা ও অন্যান্য অঞ্চলের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল হিসেবে কাজ করে। ফলে এই অচলাবস্থা বৈশ্বিক বিমান যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং আবু ধাবিতে আটকে পড়া যাত্রীদের অসংখ্য পোস্ট দেখা যাচ্ছে। ভ্রমণকারীরা অভিযোগ করছেন যে, ফ্লাইট পুনঃবুকিং, হোটেল ভাউচার নিশ্চিত করা বা অন্য কোনো সহায়তা পাওয়ার জন্য তাদের দীর্ঘ লাইনে অপেক্ষা করতে হচ্ছে। অনেকেই বিমানবন্দরের টার্মিনালের ভেতরে রাত কাটাতে বাধ্য হচ্ছেন। আকাশসীমা বন্ধ থাকা এবং সংঘাত চলতে থাকলে হাজার হাজার যাত্রীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 




















