ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রবাদে জ্বালানি আমদানিতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, জ্বালানি তেলের বাড়তি দামের কারণে ইইউ-কে অতিরিক্ত ২৮ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে। গড়ে প্রতিদিন এই ব্যয়ের পরিমাণ ৫৮৭ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইইউ জরুরি ভিত্তিতে একগুচ্ছ পদক্ষেপ গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে।
ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, ২০২২ সালে ইউক্রেন সংকটের রেশ কাটতে না কাটতেই নতুন এই যুদ্ধ ইউরোপের অর্থনীতিকে খাদের কিনারে ঠেলে দিয়েছে। বিশেষ করে জ্বালানি আমদানির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতার কারণে মহাদেশটির শিল্প খাত হুমকির মুখে পড়েছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থা (আইইএ) সতর্ক করেছে যে, বিমানের জ্বালানির প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানিনির্ভর হওয়ায় আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে তীব্র সংকট দেখা দিতে পারে। পর্যটননির্ভর দেশগুলোর অর্থনীতিতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
জার্মানির রাসায়নিক শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতে ইতোমধ্যে মন্দার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। অনেক ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও মৎস্যজীবী জ্বালানির আকাশচুম্বী দামের কারণে উৎপাদন বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। উপসাগরীয় অঞ্চলে অস্থিরতা অব্যাহত থাকলে দীর্ঘমেয়াদে ইউরোপের জ্বালানি নিরাপত্তা আরও বিঘ্নিত হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রিপোর্টারের নাম 























