ঢাকা ০৬:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

উপসাগরীয় মিত্রদের রক্ষায় ফ্রান্স প্রস্তুত: পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স তার উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষায় পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারো এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান কর্তৃক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে সংঘাতে জড়িয়ে পড়া দেশগুলোর প্রতি ফ্রান্স পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করছে।

বারো তার বক্তব্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ইরাক, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান এবং জর্ডানের নাম উল্লেখ করে বলেন, “প্রয়োজনে তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় ফ্রান্স সামরিকভাবে অংশ নিতে প্রস্তুত।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে, ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি মনে করেন, এ ধরনের শক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল। প্যারিসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বারো বলেন, “এটি এমন একটি বিষয় যা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মতো যৌথ কাঠামোর মধ্যে আলোচনার যোগ্য। সেখানে প্রত্যেক দেশ তাদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নির্ধারণ করতে পারত।” এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ফ্রান্স একদিকে যেমন তার মিত্রদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে, তেমনই আন্তর্জাতিক আইন ও স্থিতিশীলতার প্রতিও তাদের অঙ্গীকার অটুট রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই বিপ্লব মামলা: মেনন-কামরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আবেদন প্রসিকিউশনের

উপসাগরীয় মিত্রদের রক্ষায় ফ্রান্স প্রস্তুত: পররাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘোষণা

আপডেট সময় : ০৪:৪৮:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা এবং ইরানের সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে ফ্রান্স তার উপসাগরীয় মিত্র দেশগুলোর প্রতিরক্ষায় পাশে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছে। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারো এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরান কর্তৃক লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়া এবং অনিচ্ছাকৃতভাবে সংঘাতে জড়িয়ে পড়া দেশগুলোর প্রতি ফ্রান্স পূর্ণ সমর্থন ও সংহতি প্রকাশ করছে।

বারো তার বক্তব্যে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার, ইরাক, বাহরাইন, কুয়েত, ওমান এবং জর্ডানের নাম উল্লেখ করে বলেন, “প্রয়োজনে তাদের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় ফ্রান্স সামরিকভাবে অংশ নিতে প্রস্তুত।” তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন যে, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মিত্র দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফ্রান্স প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তবে, ফরাসি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ অভিযানের বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। তিনি মনে করেন, এ ধরনের শক্তি প্রয়োগের সিদ্ধান্ত জাতিসংঘের মতো আন্তর্জাতিক ফোরামে আলোচনা হওয়া উচিত ছিল। প্যারিসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক বৈঠকে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বারো বলেন, “এটি এমন একটি বিষয় যা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের মতো যৌথ কাঠামোর মধ্যে আলোচনার যোগ্য। সেখানে প্রত্যেক দেশ তাদের দায়িত্ব ও ভূমিকা নির্ধারণ করতে পারত।” এই বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, ফ্রান্স একদিকে যেমন তার মিত্রদের পাশে থাকার বার্তা দিচ্ছে, তেমনই আন্তর্জাতিক আইন ও স্থিতিশীলতার প্রতিও তাদের অঙ্গীকার অটুট রয়েছে।