যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় সাউথ ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির (ইউএসএফ) বাংলাদেশি পিএইচডি শিক্ষার্থী জামিল লিমনের (২৭) মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় তার রুমমেট হিশাম আবুগারবিয়াকে (২৬) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। হিশাম আবুগারবিয়া জন্মসূত্রে একজন মার্কিন নাগরিক এবং পারিবারিকভাবে ফিলিস্তিনি বংশোদ্ভূত। তিনি ২০২১ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ইউএসএফ-এর ম্যানেজমেন্ট বিভাগে বিএসসি কোর্সে পড়তেন, তবে বর্তমানে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন। লিমন ও হিশাম ক্যাম্পাসের বাইরের একটি অ্যাপার্টমেন্টে রুমমেট হিসেবে বসবাস করতেন। গত শুক্রবার লিমনের মরদেহ উদ্ধারের পর হিশামকে তার বাড়ি থেকে সোয়াট টিমের সিনেমা স্টাইল অভিযানের মাধ্যমে গ্রেপ্তার করা হয়। আত্মসমর্পণে অস্বীকৃতি জানানোয় বিশেষায়িত সোয়াট বাহিনী তলব করে তাকে নিয়ন্ত্রণে আনা হয়।
চিফ ডেপুটি জোসেফ মাউরার জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃত হিশামের বিরুদ্ধে পারিবারিক সহিংসতা, কাউকে অন্যায়ভাবে আটকে রাখা, তথ্যপ্রমাণ নষ্ট করার চেষ্টা এবং মৃতদেহ সরিয়ে ফেলার মতো ছয়টি সুনির্দিষ্ট ও গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা অনুযায়ী, হিশাম একাই এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। তবে লিমনের মরদেহ উদ্ধার হলেও ১৬ এপ্রিল থেকে নিখোঁজ থাকা অপর বাংলাদেশি শিক্ষার্থী নাহিদা বৃষ্টির (২৭) কোনো সন্ধান এখনো পাওয়া যায়নি। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পিএইচডি গবেষণারত নাহিদার সাথে লিমনের অতীতে প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ বর্তমানে নাহিদাকে উদ্ধারে এবং এই হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত মোটিভ উদঘাটনে একাধিক বিশেষায়িত গোয়েন্দা দল নিয়ে জোরদার অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে। অভিযুক্ত হিশামের বাড়ি থেকে তার পরিবারের অন্য সদস্যরা নিরাপদে বেরিয়ে এলেও নাহিদার নিখোঁজ থাকা নিয়ে রহস্য আরও ঘনীভূত হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 
























