ইরানের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করার পরিকল্পনা অস্ট্রেলিয়ার নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং। সোমবার (তারিখ উল্লেখ করা যেতে পারে, যদি জানা থাকে) অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম প্রধান সংবাদমাধ্যম নাইন নেটওয়ার্ককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। এই অবস্থান স্পষ্ট করে তিনি বলেন, “আমরা এই হামলায় অংশ নিইনি এবং ভবিষ্যতেও অংশ নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা আমাদের নেই।”
উল্লেখ্য, অস্ট্রেলিয়া ও ইরানের মধ্যে সম্পর্ক বেশ কিছুদিন ধরেই উত্তপ্ত। পূর্বের এক ঘটনায়, সিডনি ও মেলবোর্নে ইহুদিবিদ্বেষী অগ্নিসংযোগের ঘটনার সঙ্গে ইরানের বিপ্লবী গার্ডের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ এনে, অস্ট্রেলিয়া ২০১৫ সালে তেহরান থেকে তাদের রাষ্ট্রদূতকে বহিষ্কার করেছিল। যদিও ইরান বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।
ঐতিহাসিকভাবে, ইরাক যুদ্ধের মতো বিভিন্ন মার্কিন নেতৃত্বাধীন সামরিক উদ্যোগে অস্ট্রেলিয়াকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে দেখা গেছে। তবে, বর্তমান ইরান সংকটের প্রেক্ষাপটে দেশটি নিজেদেরকে এই ধরনের সংঘাতে জড়িয়ে পড়া থেকে বিরত রাখার নীতি গ্রহণ করেছে। এই সিদ্ধান্ত আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 























